ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের নির্যাতিত রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল। শনিবার হামলাটি চালায় দখলদার বাহিনী।

তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। চলতি বছরের মে মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে এ নিয়ে চারবার বিমান হামলা চালাল দখলদার বাহিনী।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, গাজা থেকে তাদের দিকে আগুন বেলুন ছোড়া হয়েছিল। জবাবে হামাসকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় তারা। হামলার লক্ষ্যস্থান ছিল হামাসের অস্ত্রাগার। তবে ইসরায়েল হামাসের দিকে আগুন বেলুন হামলার অভিযোগ তুললেও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি হামাস।

এর আগে গত ২ জুলাই একই অভিযোগে গাজা উপত্যকায় তৃতীয়বারের মতো বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। তখনও ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি ছিল, গাজা থেকে তাদের দিকে বিস্ফোরকভর্তি বেলুন ছোড়া হয়েছিল। জবাবে হামাসের অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছিল তারা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, হামলার স্থানে হামাস নিজেদের অস্ত্রের উন্নয়ন ও গবেষণা করত।

নানা ধরনের চাপের মুখে গত ২১ মে শেষ পর্যন্ত মিশরের মধ্যস্থতায় গাজায় বিমান হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বারবার গাজায় বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

যদিও এরই মধ্যে ইসরায়েলে পরিবর্তন হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পদ। কিন্তু থেমে নেই ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীত্বের বদল হলেও বদলায়নি ইসরায়েলি নীতি।

গত ১০ থেকে ২১ মে পর্যন্ত টানা ১১ দিনের সংঘাতে প্রায় ২৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এর মধ্যে ৬৬ জনই শিশু। অপর দিকে দুই হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলে রকেট হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছে। তবে হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সাধারণ নাগরিক।

এ দিকে শনিবার (৩ জুলাই) পশ্চিমতীরে এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, দখলদার বাহিনী নাবলাস শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি গ্রামে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু হরে। ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, ২০ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কুসরা গ্রামে নিজের বাড়ি ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দখলদার বাহিনীর গুলি এসে তার বুকে লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা

ট্যাগস

গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের নির্যাতিত রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল। শনিবার হামলাটি চালায় দখলদার বাহিনী।

তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। চলতি বছরের মে মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে এ নিয়ে চারবার বিমান হামলা চালাল দখলদার বাহিনী।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, গাজা থেকে তাদের দিকে আগুন বেলুন ছোড়া হয়েছিল। জবাবে হামাসকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় তারা। হামলার লক্ষ্যস্থান ছিল হামাসের অস্ত্রাগার। তবে ইসরায়েল হামাসের দিকে আগুন বেলুন হামলার অভিযোগ তুললেও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি হামাস।

এর আগে গত ২ জুলাই একই অভিযোগে গাজা উপত্যকায় তৃতীয়বারের মতো বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। তখনও ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি ছিল, গাজা থেকে তাদের দিকে বিস্ফোরকভর্তি বেলুন ছোড়া হয়েছিল। জবাবে হামাসের অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছিল তারা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, হামলার স্থানে হামাস নিজেদের অস্ত্রের উন্নয়ন ও গবেষণা করত।

নানা ধরনের চাপের মুখে গত ২১ মে শেষ পর্যন্ত মিশরের মধ্যস্থতায় গাজায় বিমান হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বারবার গাজায় বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

যদিও এরই মধ্যে ইসরায়েলে পরিবর্তন হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পদ। কিন্তু থেমে নেই ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীত্বের বদল হলেও বদলায়নি ইসরায়েলি নীতি।

গত ১০ থেকে ২১ মে পর্যন্ত টানা ১১ দিনের সংঘাতে প্রায় ২৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এর মধ্যে ৬৬ জনই শিশু। অপর দিকে দুই হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলে রকেট হামলায় ১২ জন নিহত হয়েছে। তবে হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সাধারণ নাগরিক।

এ দিকে শনিবার (৩ জুলাই) পশ্চিমতীরে এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, দখলদার বাহিনী নাবলাস শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি গ্রামে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু হরে। ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, ২০ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কুসরা গ্রামে নিজের বাড়ি ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দখলদার বাহিনীর গুলি এসে তার বুকে লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা