ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়াই অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর সময় হাসপাতালে ৬৩ রোগীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার একটি হাসপাতালে প্রায় একই সময়ে ৬৩ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অক্সিজেন সংকট কাটাতে সিলিন্ডার বদলানোর সময় তাদের মৃত্যু হয়।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া। ফলে সেখানে চরম অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা, রয়টার্স, এবিসি অস্ট্রেলিয়ার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্সিজেন সংকট কাটানোর জন্য ডক্টর সারদজিতো জেনারেল হাসপাতালের কর্মীরা সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দেরি হওয়ায় তারা ৬৩ জন রোগীর জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হন।হাসপাতালের পরিচালক রুকমন সিস্বিশান্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুলিশের দেওয়া ১০০ সিলিন্ডারসহ আরও কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেরি হয়ে যায়।

ওয়াল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান বিশ্বে ১৬তম। সাড়ে ২৭ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। মারা গেছে ৬০ হাজার ৫৮২ জন।

ট্যাগস

ইন্দোনেশিয়াই অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর সময় হাসপাতালে ৬৩ রোগীর মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার একটি হাসপাতালে প্রায় একই সময়ে ৬৩ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অক্সিজেন সংকট কাটাতে সিলিন্ডার বদলানোর সময় তাদের মৃত্যু হয়।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া। ফলে সেখানে চরম অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা, রয়টার্স, এবিসি অস্ট্রেলিয়ার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্সিজেন সংকট কাটানোর জন্য ডক্টর সারদজিতো জেনারেল হাসপাতালের কর্মীরা সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দেরি হওয়ায় তারা ৬৩ জন রোগীর জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হন।হাসপাতালের পরিচালক রুকমন সিস্বিশান্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুলিশের দেওয়া ১০০ সিলিন্ডারসহ আরও কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেরি হয়ে যায়।

ওয়াল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যায় ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান বিশ্বে ১৬তম। সাড়ে ২৭ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। মারা গেছে ৬০ হাজার ৫৮২ জন।