ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি প্লাবিত

ছবি সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মঙ্গলবার সকালে ভোলার চরফ্যাসন ও মনপুরা উপজেলার নিম্নাঞ্চলে অস্বাভাবিক জোয়ারে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ঢাল চরে ২৫ ঘর সম্পূর্ন বিধ্বস্তসহ মোট ৬/৭ শ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঢাল চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম জানান, মঙ্গলবার সকালে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতায় অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে করে প্রায় ৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। কিন্তু ঢাল চরে কোন আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় সাধারণ মানুষ পড়ে বিপাকে।

অপরদিকে মনপুরায় ইয়াসের প্রভাবে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের বাউল বাড়ি সংলগ্ন ৬ মিটার বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যায়। এছাড়াও জোয়ারের পানিতে সোনারচর, চরযতিন, দাসেরহাট, চরজ্ঞান, কাউয়ারটেক, কূলাগাজী তালুক, নায়বের হাট, আলমনগর গ্রাম প্লাবিত হয়। মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক ও কূলাগাজী তালুক গ্রামের বেড়ীর বাহিরের এলাকা ৪-৫ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমের দ্বায়িত্বে থাকা জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মো. মোতাহার হোসেন সকালে জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। যেখানে মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করতে পারবে।

মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা সাংবাদিকদের জানান, দুর্গত এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, জোয়ারের তোড়ে পুরাতন ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ীবাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস

ভোলায় নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি প্লাবিত

আপডেট সময় ০৮:২২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মঙ্গলবার সকালে ভোলার চরফ্যাসন ও মনপুরা উপজেলার নিম্নাঞ্চলে অস্বাভাবিক জোয়ারে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ঢাল চরে ২৫ ঘর সম্পূর্ন বিধ্বস্তসহ মোট ৬/৭ শ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঢাল চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম জানান, মঙ্গলবার সকালে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতায় অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে করে প্রায় ৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। কিন্তু ঢাল চরে কোন আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় সাধারণ মানুষ পড়ে বিপাকে।

অপরদিকে মনপুরায় ইয়াসের প্রভাবে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের বাউল বাড়ি সংলগ্ন ৬ মিটার বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যায়। এছাড়াও জোয়ারের পানিতে সোনারচর, চরযতিন, দাসেরহাট, চরজ্ঞান, কাউয়ারটেক, কূলাগাজী তালুক, নায়বের হাট, আলমনগর গ্রাম প্লাবিত হয়। মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক ও কূলাগাজী তালুক গ্রামের বেড়ীর বাহিরের এলাকা ৪-৫ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমের দ্বায়িত্বে থাকা জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মো. মোতাহার হোসেন সকালে জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। যেখানে মোট ৫ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করতে পারবে।

মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা সাংবাদিকদের জানান, দুর্গত এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, জোয়ারের তোড়ে পুরাতন ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ীবাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।