ডেক্স রিপোর্ট :ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে জার্মানিতেও। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সাময়িক অস্ত্রবিরতি নয় বরং নির্বিচারে ফিলিস্তিনের সাধারণ নাগরিকদের হত্যা, নির্যাতন বন্ধ না করলে জার্মানির রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
গাজায় সাময়িক অস্ত্রবিরতির মধ্যেই আবারও জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ইসরায়েলবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ মে) দেশটির প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শহরের পোস্টডামার প্লাটজ এ জমায়েত হন কয়েক হাজার মানুষ।
এ সময় তারা বলেন, দু’দেশের মধ্যে চলমান অস্ত্রবিরতি কোনো স্থায়ী সমাধান নয় বরং অসহায় ফিলিস্তিনিদের হত্যা, বাড়িঘরে ধ্বংসযজ্ঞ, পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধসহ গাজায় পুরোপুরি শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত চলবে এ আন্দোলন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজ আমরা আবারও মিলিত হয়েছি। যদিও এখন দু’দেশের সরকার অস্ত্র বিরতিতে সম্মত হয়েছে তবুও গতকাল আল-আকসা মসজিদে নামজরত মুসলমানদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী নির্বিচারে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। এরপরও কি তাদেরকে বিশ্বাস করা যায়?’
এক প্রবাসী ফিলিস্তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, ফিলিস্তিনে আমার পরিবার দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। তাদের মনে ভয় এই বুঝি ইসরায়েলি বাহিনী আবাও হামলা করল। তাদের বর্বরতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব আমরা।’
দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিকরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরব মিত্ররাষ্ট্রগুলো ছাড়াও পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর প্রত্যক্ষ মদদেই ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েল বারবার বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে অন্যায়ভাবে ছাড় পেয়ে যাচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘ভেবেছিলাম আজ আমরা অনেক আনন্দ করব কিন্তু বিশ্বাসঘাতক ইসরাইলের গতকালের হামলায় আমরা হতবাক। এত সাহস কোথায় পায় তারা।’
এর আগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্ত হিসেবে যে কোন মূল্যে চলমান অস্ত্র বিরতি রক্ষার আহবান জানান জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাসসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের নেতারা।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 











