ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ  ভারতের উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ তুষারধসের এক সপ্তাহ পর আরও পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তপোবনের সুড়ঙ্গ থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এনিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী এখনো কমপক্ষে ১৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধারকাজে গতি এনেছে প্রশাসন।

চামোলির জেলা প্রশাসক স্বাতী ভাদোরিয়া বলেন, আমরা ধারণা করছি- শুধু তপোবন সুড়ঙ্গে আরও ২০/৩০ জন আটকে থাকতে পারেন।

তাদের উদ্ধারে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। এছাড়া মোট নিখোঁজ এখনো ১৬০ জন। নিখোঁজদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

তিনি জানিয়েছেন, শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তপোবন-বিষ্ণুগড় সুড়ঙ্গের মধ্যে আরও বড় পথ তৈরি করে উদ্ধারকাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রথম থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল সেখানে অন্তত ৩০ জন আটকে রয়েছেন। তবে ৫ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

এনটিপিসির প্রকল্পের ব্যবস্থাপক আরপি আগরওয়াল বলেন, তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে টানেলে আটকেপড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ চলছে।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি বড় গর্ত তৈরি করা হয়েছে, যেখান দিয়ে একটি পাইপ ও ক্যামেরা সুড়ঙ্গের ভিতর যেতে পারে। ক্যামেরার সাহায্যে দেখা হচ্ছে ভিতরে কেউ আটকে পড়েছেন কি-না।

উদ্ধারকাজে গতি এসেছে। আশা করি- দ্রুত আটকে পড়া সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে জোশীমঠের কাছে ওই তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

এর জেরে ধোলিগঙ্গায় জলস্তর প্রবলভাবে বেড়ে যায়। তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায় অনেকগুলো গ্রাম। এমনকি সেতুও ভেঙে পড়ে। পাশাপাশি দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি তপোবন-বিষ্ণুগড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

ভারতে ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জন

আপডেট সময় ০৮:৫২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ  ভারতের উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ তুষারধসের এক সপ্তাহ পর আরও পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তপোবনের সুড়ঙ্গ থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এনিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী এখনো কমপক্ষে ১৬০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধারকাজে গতি এনেছে প্রশাসন।

চামোলির জেলা প্রশাসক স্বাতী ভাদোরিয়া বলেন, আমরা ধারণা করছি- শুধু তপোবন সুড়ঙ্গে আরও ২০/৩০ জন আটকে থাকতে পারেন।

তাদের উদ্ধারে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। এছাড়া মোট নিখোঁজ এখনো ১৬০ জন। নিখোঁজদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

তিনি জানিয়েছেন, শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তপোবন-বিষ্ণুগড় সুড়ঙ্গের মধ্যে আরও বড় পথ তৈরি করে উদ্ধারকাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রথম থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল সেখানে অন্তত ৩০ জন আটকে রয়েছেন। তবে ৫ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

এনটিপিসির প্রকল্পের ব্যবস্থাপক আরপি আগরওয়াল বলেন, তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে টানেলে আটকেপড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ চলছে।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি বড় গর্ত তৈরি করা হয়েছে, যেখান দিয়ে একটি পাইপ ও ক্যামেরা সুড়ঙ্গের ভিতর যেতে পারে। ক্যামেরার সাহায্যে দেখা হচ্ছে ভিতরে কেউ আটকে পড়েছেন কি-না।

উদ্ধারকাজে গতি এসেছে। আশা করি- দ্রুত আটকে পড়া সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে জোশীমঠের কাছে ওই তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

এর জেরে ধোলিগঙ্গায় জলস্তর প্রবলভাবে বেড়ে যায়। তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায় অনেকগুলো গ্রাম। এমনকি সেতুও ভেঙে পড়ে। পাশাপাশি দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি তপোবন-বিষ্ণুগড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র।