ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতালিতে এক শহর থেকে অন্য শহরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিনের ছুটিতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকির আশঙ্কায় ইতালির এক শহর থেকে আরেক শহরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এছাড়া রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি থাকবে বলে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে। ইতালিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৩ জনের মৃত্যুর পর এই ঘোষণা দিল ইতালি।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময়ে কিছু কিছু এলাকায় ৬টা পর্যন্ত রেস্তোরাঁ খোলা রাখা যাবে। তবে অন্যান্য স্থানে শুধুমাত্র খাবারের দোকান খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি সেবার কাজে ভ্রমণ শিথিল থাকবে।

এ বিষয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তে বলেন, ‘আমরা আমাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট হতে দিতে পারি না। আমরা জানুয়ারিতে আসতে যাওয়া করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ প্রতিহত করবো। তবে অবশ্যই প্রথম ও ঢেউ মোকাবিলার চেয়ে কম গুরুত্ব দেব না।’

তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে তাদের সাথে কোনো আলোচনা করেনি। তারা জানায়, এই সিদ্ধান্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় বিঘ্ন সৃষ্টি করবে।

ইতালিতে করোনায় এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ ৯৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল গত ২৭ মার্চ।

ট্যাগস

ইতালিতে এক শহর থেকে অন্য শহরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ১২:৪২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বড়দিনের ছুটিতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকির আশঙ্কায় ইতালির এক শহর থেকে আরেক শহরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এছাড়া রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি থাকবে বলে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে। ইতালিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৩ জনের মৃত্যুর পর এই ঘোষণা দিল ইতালি।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময়ে কিছু কিছু এলাকায় ৬টা পর্যন্ত রেস্তোরাঁ খোলা রাখা যাবে। তবে অন্যান্য স্থানে শুধুমাত্র খাবারের দোকান খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি সেবার কাজে ভ্রমণ শিথিল থাকবে।

এ বিষয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তে বলেন, ‘আমরা আমাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট হতে দিতে পারি না। আমরা জানুয়ারিতে আসতে যাওয়া করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ প্রতিহত করবো। তবে অবশ্যই প্রথম ও ঢেউ মোকাবিলার চেয়ে কম গুরুত্ব দেব না।’

তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে তাদের সাথে কোনো আলোচনা করেনি। তারা জানায়, এই সিদ্ধান্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় বিঘ্ন সৃষ্টি করবে।

ইতালিতে করোনায় এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ ৯৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল গত ২৭ মার্চ।