ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিয়ামতপুরে সাপের কামড়ে মা-ছেলের মৃত্যু

নিয়ামতপুর, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় সাপের কামড়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের কয়াশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন কয়াশ গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের স্ত্রী নূর জমিলা (৫০) ও তাঁর ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতের খাবার খেয়ে নূর জমিলা ও তাঁর ছেলে মনিরুল নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দুইটার দিকে বিষধর সাপ প্রথমে নূর জমিলাকে কামড় দেয়। মায়ের চিৎকারের আওয়াজ পেয়ে মনিরুল মায়ের ঘরে ছুটে যান। এ সময় মনিরুলকেও কামড় দেয় সাপ।

তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাঁদের গ্রামের এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। ওঝার কাছে ঝাড়ফুঁক করার পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে সকালে তাঁদের নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ওষুধ (অ্যান্টিভেনম) না থাকায় তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী মেডিকেল নেওয়ার পর কিছুক্ষণ পরেই তাঁদের মৃত্যু হয়।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

নিয়ামতপুরে সাপের কামড়ে মা-ছেলের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:৩৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
নিয়ামতপুর, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় সাপের কামড়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের কয়াশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন কয়াশ গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের স্ত্রী নূর জমিলা (৫০) ও তাঁর ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতের খাবার খেয়ে নূর জমিলা ও তাঁর ছেলে মনিরুল নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দুইটার দিকে বিষধর সাপ প্রথমে নূর জমিলাকে কামড় দেয়। মায়ের চিৎকারের আওয়াজ পেয়ে মনিরুল মায়ের ঘরে ছুটে যান। এ সময় মনিরুলকেও কামড় দেয় সাপ।

তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাঁদের গ্রামের এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। ওঝার কাছে ঝাড়ফুঁক করার পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে সকালে তাঁদের নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে সাপের বিষ নিষ্ক্রিয় করার ওষুধ (অ্যান্টিভেনম) না থাকায় তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী মেডিকেল নেওয়ার পর কিছুক্ষণ পরেই তাঁদের মৃত্যু হয়।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।