ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

করোনায় লালমনিরহাটের জেলা জজের মৃত্যু

১৫ জুন তার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়রা জজ ফেরদৌস আহমেদের জামাতা লে. কর্নেল সাজ্জাদ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন লালমনিরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. ফেরদৌস আহমেদ (৫৫)।

বুধবার (২৪ জুন) রাত ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম বন্দরের আইন কর্মকর্তা মুনতাসির আহমেদ।

মুনতাসির আহমেদ বলেন, আমার সঙ্গে জজ ফেরদৌস আহমেদের জামাতা লে. কর্নেল সাজ্জাদের কথা হয়েছে। লে. কর্নেল সাজ্জাদ তার শ্বশুরের মৃত্যুর বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন।

এদিকে, বিচারক ফেরদৌস আহমেদের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, জজ ফেরদৌস আহমেদ মারা গেছেন।করোনাভাইরাসে প্রথম কোনো বিচারকের মৃত্যু হলো।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন জজ ফেরদৌস আহমেদ। ১৫ জুন তার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়রা জজ ফেরদৌস আহমেদের জামাতা লে. কর্নেল সাজ্জাদ।

লে. কর্নেল সাজ্জাদ ওই দিন বলেন, আমার শ্বশুর লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. ফেরদৌস আহমেদ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে সিএমএইচের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। আমরা তার জন্য ‘এবি পজিটিভ’ রক্তের প্লাজমা খুঁজছি। আপনাদের সন্ধানে থাকলে প্লিজ দ্রুত জানান। এরই মধ্যে বুধবার তার মৃত্যু হলো।

লালমনিরহাট আদালত সূত্র জানায়, বিচারক ফেরদৌস আহমেদ ১ জুন ঢাকা থেকে লালমনিরহাটে আসেন। ৪ জুন আদালতে বিচারকাজ পরিচালনা করে আবার ঢাকায় ফিরে যান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকায় করোনাভাইরাস পরীক্ষা করান। পরে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। বিষয়টি জানার পরই তাকে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। ‘এবি পজিটিভ’ রক্তের প্লাজমা দরকার ছিল তার। প্লাজমা দিয়েও তাকে বাঁচানো যায়নি।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

করোনায় লালমনিরহাটের জেলা জজের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন লালমনিরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. ফেরদৌস আহমেদ (৫৫)।

বুধবার (২৪ জুন) রাত ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম বন্দরের আইন কর্মকর্তা মুনতাসির আহমেদ।

মুনতাসির আহমেদ বলেন, আমার সঙ্গে জজ ফেরদৌস আহমেদের জামাতা লে. কর্নেল সাজ্জাদের কথা হয়েছে। লে. কর্নেল সাজ্জাদ তার শ্বশুরের মৃত্যুর বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন।

এদিকে, বিচারক ফেরদৌস আহমেদের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, জজ ফেরদৌস আহমেদ মারা গেছেন।করোনাভাইরাসে প্রথম কোনো বিচারকের মৃত্যু হলো।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন জজ ফেরদৌস আহমেদ। ১৫ জুন তার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়রা জজ ফেরদৌস আহমেদের জামাতা লে. কর্নেল সাজ্জাদ।

লে. কর্নেল সাজ্জাদ ওই দিন বলেন, আমার শ্বশুর লালমনিরহাটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. ফেরদৌস আহমেদ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে সিএমএইচের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। আমরা তার জন্য ‘এবি পজিটিভ’ রক্তের প্লাজমা খুঁজছি। আপনাদের সন্ধানে থাকলে প্লিজ দ্রুত জানান। এরই মধ্যে বুধবার তার মৃত্যু হলো।

লালমনিরহাট আদালত সূত্র জানায়, বিচারক ফেরদৌস আহমেদ ১ জুন ঢাকা থেকে লালমনিরহাটে আসেন। ৪ জুন আদালতে বিচারকাজ পরিচালনা করে আবার ঢাকায় ফিরে যান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকায় করোনাভাইরাস পরীক্ষা করান। পরে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। বিষয়টি জানার পরই তাকে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। ‘এবি পজিটিভ’ রক্তের প্লাজমা দরকার ছিল তার। প্লাজমা দিয়েও তাকে বাঁচানো যায়নি।