ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়, চাপে ট্রাম্প Logo ১০ পরীক্ষার্থী ১৭ জন শিক্ষক, পাশ করেননি কেউ Logo টাঙ্গাইলে প্রাইভেট কার ও অটো রিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ Logo গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দফায় দফায় শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ Logo জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পেয়ারা ও মাল্টা গাছ কেটে দিল Logo বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, নওগাঁয় গ্রেপ্তার ২ Logo জেনিফার লোপেজের নতুন প্রেমের গুঞ্জন!
তদন্তে জালিয়াতি প্রমান

নওগাঁয় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক জমি আত্মসাতের চেষ্টা  

নওগাঁর ধামইরহাটে জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের হযরতপুর গ্রামের মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বড় ভাই মো. শরিফুল ইসলাম ও মো. ওবাইদুল ইসলাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম তার দুই ভাই শরিফুল ও ওবাইদুলকে বঞ্চিত করে পৈতৃক সম্পত্তি একা ভোগদখল করার উদ্দেশ্যে ধামইরহাট ও পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার প্রায় ৭ একর জমি জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে নামজারি (খারিজ) করে নেন। এর মধ্যে পত্নীতলা উপজেলার ওয়ারিখন্ড মৌজায় ৩ একর ৭৭ শতক ও লক্ষিপুর মৌজায় ৭০ শতক এবং ধামইরহাট উপজেলার কামারখন্ড মৌজায় ৩ শতক, মাহমুদপুর মৌজায় ১ একর ৯৪ শতক ও হযরতপুর মৌজায় ৫৪ শতক জমি রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রেজাউল ইসলাম স্থানীয় আলমগীর মাস্টারের সহায়তায় পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার ভূমি অফিস থেকে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এসব জমি নিজের নামে করে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীরা আইনি লড়াই শুরু করেন।

এদিকে পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। ধামইরহাট থানার এসআই মো. ইফতেখায়ের ইসলামের দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেছেন— তিনি ভুলবশত ওই জমিগুলো নিজের নামে খারিজ করে নিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ধামইরহাট ও পত্নীতলা কার্যালয়ে উক্ত জালিয়াতি করা খারিজ বাতিলের জন্য আবেদনও করেছেন। ইতিমধ্যে ধামইরহাট ও পত্নীতলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জালিয়াতি করা খারিজগুলো বাতিলের আদেশ প্রদান করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের ভাই রেজাউল ইসলাম অত্যন্ত চতুরতার সাথে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে চেয়েছিল। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা এই প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন সাহস না পায়।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।

ট্যাগস

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

তদন্তে জালিয়াতি প্রমান

নওগাঁয় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক জমি আত্মসাতের চেষ্টা  

আপডেট সময় ১০:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাটে জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের হযরতপুর গ্রামের মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বড় ভাই মো. শরিফুল ইসলাম ও মো. ওবাইদুল ইসলাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল ইসলাম তার দুই ভাই শরিফুল ও ওবাইদুলকে বঞ্চিত করে পৈতৃক সম্পত্তি একা ভোগদখল করার উদ্দেশ্যে ধামইরহাট ও পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার প্রায় ৭ একর জমি জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে নামজারি (খারিজ) করে নেন। এর মধ্যে পত্নীতলা উপজেলার ওয়ারিখন্ড মৌজায় ৩ একর ৭৭ শতক ও লক্ষিপুর মৌজায় ৭০ শতক এবং ধামইরহাট উপজেলার কামারখন্ড মৌজায় ৩ শতক, মাহমুদপুর মৌজায় ১ একর ৯৪ শতক ও হযরতপুর মৌজায় ৫৪ শতক জমি রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রেজাউল ইসলাম স্থানীয় আলমগীর মাস্টারের সহায়তায় পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার ভূমি অফিস থেকে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এসব জমি নিজের নামে করে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীরা আইনি লড়াই শুরু করেন।

এদিকে পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া গেছে। ধামইরহাট থানার এসআই মো. ইফতেখায়ের ইসলামের দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেছেন— তিনি ভুলবশত ওই জমিগুলো নিজের নামে খারিজ করে নিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ধামইরহাট ও পত্নীতলা কার্যালয়ে উক্ত জালিয়াতি করা খারিজ বাতিলের জন্য আবেদনও করেছেন। ইতিমধ্যে ধামইরহাট ও পত্নীতলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জালিয়াতি করা খারিজগুলো বাতিলের আদেশ প্রদান করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমাদের ভাই রেজাউল ইসলাম অত্যন্ত চতুরতার সাথে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে চেয়েছিল। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। আমরা এই প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন সাহস না পায়।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।