ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

মোহাম্মদপুর শাহজাহান রোডের একটি আবাসিক ভবনে একই পরিবারের দুই সদস্যের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সোমবার সকালে ওই বাসার সপ্তম তলার ফ্ল্যাট থেকে মালাইলা আফরোজ ও তার কিশোরী মেয়ে নাফিসার লাশ পাওয়া যায়।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তেজগাঁও বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ওই বাসায় কর্মরত একজন পরিচারিকা এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঠিক পরিচয় এখনও যাচাই করা হয়নি।

পরিবারের প্রধান আজিজুল ইসলাম কর্মসূত্রে সকালে বাসা থেকে বের হন। বেলা সাড়ে এগারোটার পরে ফিরে তিনি ফ্ল্যাটের ভেতরে স্ত্রী ও কন্যাকে গুরুতর জখম অবস্থায় দেখতে পান। কন্যাকে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। স্ত্রীও ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার পরই মোহাম্মদপুর থানা এবং তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানে এসে তদন্ত শুরু করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও কারণ জানতে তারা স্থানীয় এলাকা জরিপ করছে। সেই সাথে বাসার ভেতরে ও বাইরে স্থাপিত ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ট্যাগস

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৩:৫০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদপুর শাহজাহান রোডের একটি আবাসিক ভবনে একই পরিবারের দুই সদস্যের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সোমবার সকালে ওই বাসার সপ্তম তলার ফ্ল্যাট থেকে মালাইলা আফরোজ ও তার কিশোরী মেয়ে নাফিসার লাশ পাওয়া যায়।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তেজগাঁও বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ওই বাসায় কর্মরত একজন পরিচারিকা এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঠিক পরিচয় এখনও যাচাই করা হয়নি।

পরিবারের প্রধান আজিজুল ইসলাম কর্মসূত্রে সকালে বাসা থেকে বের হন। বেলা সাড়ে এগারোটার পরে ফিরে তিনি ফ্ল্যাটের ভেতরে স্ত্রী ও কন্যাকে গুরুতর জখম অবস্থায় দেখতে পান। কন্যাকে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। স্ত্রীও ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার পরই মোহাম্মদপুর থানা এবং তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানে এসে তদন্ত শুরু করেন। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও কারণ জানতে তারা স্থানীয় এলাকা জরিপ করছে। সেই সাথে বাসার ভেতরে ও বাইরে স্থাপিত ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।