ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুদানে নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

সুদানে দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং সরকারি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছে। বর্তমানে দারফুরে সেনাদের শেষ ঘাঁটি এল-ফাশির শহর। এ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে সম্প্রতি তীব্র হামলা শুরু করেছে আরএসএফ। তিন লাখের বেশি সাধারণ মানুষ সেখানে যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়ে আছেন।

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে নামাজের সময় মসজিদ লক্ষ্য করে চালানো এ হামলায় অন্তত ৭৮ জন প্রাণ হারান। আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ২০ জন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং সরকারি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছে। বর্তমানে দারফুরে সেনাদের শেষ ঘাঁটি এল-ফাশির শহর। এ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে সম্প্রতি তীব্র হামলা শুরু করেছে আরএসএফ। তিন লাখের বেশি সাধারণ মানুষ সেখানে যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়ে আছেন।

ইতোমধ্যে শহরের বাইরে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) বিশ্লেষণে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, শিবিরের বড় অংশ এখন আরএসএফের দখলে।

মানবাধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, ওই এলাকায় বসবাসকারী অ-আরব জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নিপীড়ন চালানো হতে পারে। জাতিসংঘও সতর্ক করে জানিয়েছে, সংঘাতটি ধীরে ধীরে জাতিগত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সহযোগিতা করার অভিযোগে সাধারণ মানুষকেই লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে।

জাতিসংঘের নথি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দখল করা এলাকায় অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে আরএসএফ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স দাবি করেছে, এল-ফাশির থেকে অ-আরব জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছে আধাসামরিক বাহিনীটি।

তবে এ অভিযোগ বরাবরের মতো অস্বীকার করে আসছে আরএসএফ। তাদের দাবি, কোনো জাতিগত সহিংসতায় তারা জড়িত নয়।

ট্যাগস

সুদানে নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

আপডেট সময় ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুদানে দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং সরকারি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছে। বর্তমানে দারফুরে সেনাদের শেষ ঘাঁটি এল-ফাশির শহর। এ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে সম্প্রতি তীব্র হামলা শুরু করেছে আরএসএফ। তিন লাখের বেশি সাধারণ মানুষ সেখানে যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়ে আছেন।

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে নামাজের সময় মসজিদ লক্ষ্য করে চালানো এ হামলায় অন্তত ৭৮ জন প্রাণ হারান। আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ২০ জন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং সরকারি সেনাদের মধ্যে লড়াই চলছে। বর্তমানে দারফুরে সেনাদের শেষ ঘাঁটি এল-ফাশির শহর। এ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে সম্প্রতি তীব্র হামলা শুরু করেছে আরএসএফ। তিন লাখের বেশি সাধারণ মানুষ সেখানে যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়ে আছেন।

ইতোমধ্যে শহরের বাইরে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) বিশ্লেষণে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, শিবিরের বড় অংশ এখন আরএসএফের দখলে।

মানবাধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, ওই এলাকায় বসবাসকারী অ-আরব জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নিপীড়ন চালানো হতে পারে। জাতিসংঘও সতর্ক করে জানিয়েছে, সংঘাতটি ধীরে ধীরে জাতিগত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সহযোগিতা করার অভিযোগে সাধারণ মানুষকেই লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে।

জাতিসংঘের নথি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দখল করা এলাকায় অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে আরএসএফ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স দাবি করেছে, এল-ফাশির থেকে অ-আরব জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছে আধাসামরিক বাহিনীটি।

তবে এ অভিযোগ বরাবরের মতো অস্বীকার করে আসছে আরএসএফ। তাদের দাবি, কোনো জাতিগত সহিংসতায় তারা জড়িত নয়।