ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লম্পট মাসুদের বিচার চেয়ে স্ত্রী সন্তানের মামলা

  চাকুরী করতেন ঢাকার ডেমরা থানার শারুলিয়া ব্রাক অফিসে । পদ ছিল  এড়িয়া  ম্যানেজার ।  আর চাকুরীর সুবাধে অধিনস্থ  (এমএম ডব্লিউ ) স্বাস্থ্য বিভাগের এক নারী (সুফিয়া ছদ্ধ নাম )সহ কর্মীর সাথে  সখ্যতা গড়ে উঠে মাসুদের

সখ্যতা থেকেই অধিনস্থ সুফিয়ার সাথে  মাসুদ জড়িয়ে পড়ে অবৈধ সম্পর্কে। সম্পর্ক নিয়ে অফিসে কানাঘুষা চলতে থাকে । দিন যত গড়ায় বাড়তে থাকে তাদের ঘনিষ্টতা । এভাবেই চলতে গিয়ে অফিস কক্ষে তাদের একাধিকবার আপত্তিকর অবস্থায় ধরে সহ কর্মীরা । বিষয়টি  সংশ্লিষ্ট অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত গেলে  গত ডিসেম্বর মাসে মাসুদ কে চাকুরী থেকে অব্যহতি দেয় ব্রাক শারুরিয়া শাখা।

এর পর মাসুদের শুরু হয় নতুন লাম্পট্যর কাহিনী । বড় মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে । ছোট এবার এসএসসি তে গোল্ডেন পায় । বিৃকত রুচির মাসুদের লাম্পট্য থেকে তার মেয়েরাও অভিযোগ তোলে। মেয়েদের প্রতি মাসুদের অশালীণ আচড়নের প্রতিবাদ করলে স্ত্রী নাসিমার উপর চলে নির্মম প্রহার । লাম্পট্যর কারণে চাকুরী যাওয়ার পর  স্ত্রী ও  মেয়েদের  নিয়ে গত মে মাসে গ্রামের বাড়ী নওগাঁর আমাইর গ্রামে আসে মাসুদ ।

গ্রামে এসেই  স্ত্রী নাসিমা কে তার বাবার বাড়ী থেকে ৫ লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন । মাসুদের  অসৎ চরিত্র আর যৌতুকের এমন আবদারে স্ত্রী সন্তানরা প্রতিবাদ করলে বেপরোয়া মাসুদ  কৌশলে হত্যার চেষ্টা চালায় । এর মধ্যে কয়েক দফা বালিশ চাপা দেয় স্ত্রী নাসিমা ও মেয়েদের । সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও গত ১৬ জুন মাসুদ তার স্ত্রী ও দু মেয়েকে মারপিট করে বাড়ী থেকে বের করে দেয় । আহত অবস্থায় নওগাঁর পত্নীতলা থানা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ভর্তি  হন তারা  ।

এ ঘটনায় গত ৩ জুলাই মাসুদ কে আসামী কে নওগাঁ কোর্টে একটি মামলা করেন স্ত্রী নাসিমা খাতুন । নাসিমা খাতুন জানায় মাসুদ একজন লম্পট প্রকৃতির মানুষ । ২০০৫ সালে আমাইর গ্রামের জঙ্গলপাড়া গ্রামে তাসলিমা নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে সে । এরপর সে তথ্য গোপন করে আমাকে বিয়ে করে । বিয়ের পর থেকই যৌতুকের জন্য নানা নির্যাতন মাথা পেতে নিয়েছি মেয়েদের জন্য । কিন্ত তার পরকিয়া আর লাম্পট্য বেপরোয়া হয়ে উঠেছে । তার দু:চরিত্রর জন্য চাকুরী চলে গেলে সে আরো বেপেরোয়া হয়ে উঠে । মেয়েদের উপর কু নজর দেয় । এসবের প্রতিবাদ করলে আমাদের হত্যার ফাঁদ আটে । মাসুদের বড় মেয়ে নিসাত ইয়াসমিন জানায় আমরা এমন লম্পট বাবার বিচার চাই ।  এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাসেুদের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হনননি ।

 

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

লম্পট মাসুদের বিচার চেয়ে স্ত্রী সন্তানের মামলা

আপডেট সময় ০৬:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

  চাকুরী করতেন ঢাকার ডেমরা থানার শারুলিয়া ব্রাক অফিসে । পদ ছিল  এড়িয়া  ম্যানেজার ।  আর চাকুরীর সুবাধে অধিনস্থ  (এমএম ডব্লিউ ) স্বাস্থ্য বিভাগের এক নারী (সুফিয়া ছদ্ধ নাম )সহ কর্মীর সাথে  সখ্যতা গড়ে উঠে মাসুদের

সখ্যতা থেকেই অধিনস্থ সুফিয়ার সাথে  মাসুদ জড়িয়ে পড়ে অবৈধ সম্পর্কে। সম্পর্ক নিয়ে অফিসে কানাঘুষা চলতে থাকে । দিন যত গড়ায় বাড়তে থাকে তাদের ঘনিষ্টতা । এভাবেই চলতে গিয়ে অফিস কক্ষে তাদের একাধিকবার আপত্তিকর অবস্থায় ধরে সহ কর্মীরা । বিষয়টি  সংশ্লিষ্ট অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত গেলে  গত ডিসেম্বর মাসে মাসুদ কে চাকুরী থেকে অব্যহতি দেয় ব্রাক শারুরিয়া শাখা।

এর পর মাসুদের শুরু হয় নতুন লাম্পট্যর কাহিনী । বড় মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে । ছোট এবার এসএসসি তে গোল্ডেন পায় । বিৃকত রুচির মাসুদের লাম্পট্য থেকে তার মেয়েরাও অভিযোগ তোলে। মেয়েদের প্রতি মাসুদের অশালীণ আচড়নের প্রতিবাদ করলে স্ত্রী নাসিমার উপর চলে নির্মম প্রহার । লাম্পট্যর কারণে চাকুরী যাওয়ার পর  স্ত্রী ও  মেয়েদের  নিয়ে গত মে মাসে গ্রামের বাড়ী নওগাঁর আমাইর গ্রামে আসে মাসুদ ।

গ্রামে এসেই  স্ত্রী নাসিমা কে তার বাবার বাড়ী থেকে ৫ লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য শুরু হয় অকথ্য নির্যাতন । মাসুদের  অসৎ চরিত্র আর যৌতুকের এমন আবদারে স্ত্রী সন্তানরা প্রতিবাদ করলে বেপরোয়া মাসুদ  কৌশলে হত্যার চেষ্টা চালায় । এর মধ্যে কয়েক দফা বালিশ চাপা দেয় স্ত্রী নাসিমা ও মেয়েদের । সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও গত ১৬ জুন মাসুদ তার স্ত্রী ও দু মেয়েকে মারপিট করে বাড়ী থেকে বের করে দেয় । আহত অবস্থায় নওগাঁর পত্নীতলা থানা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ভর্তি  হন তারা  ।

এ ঘটনায় গত ৩ জুলাই মাসুদ কে আসামী কে নওগাঁ কোর্টে একটি মামলা করেন স্ত্রী নাসিমা খাতুন । নাসিমা খাতুন জানায় মাসুদ একজন লম্পট প্রকৃতির মানুষ । ২০০৫ সালে আমাইর গ্রামের জঙ্গলপাড়া গ্রামে তাসলিমা নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে সে । এরপর সে তথ্য গোপন করে আমাকে বিয়ে করে । বিয়ের পর থেকই যৌতুকের জন্য নানা নির্যাতন মাথা পেতে নিয়েছি মেয়েদের জন্য । কিন্ত তার পরকিয়া আর লাম্পট্য বেপরোয়া হয়ে উঠেছে । তার দু:চরিত্রর জন্য চাকুরী চলে গেলে সে আরো বেপেরোয়া হয়ে উঠে । মেয়েদের উপর কু নজর দেয় । এসবের প্রতিবাদ করলে আমাদের হত্যার ফাঁদ আটে । মাসুদের বড় মেয়ে নিসাত ইয়াসমিন জানায় আমরা এমন লম্পট বাবার বিচার চাই ।  এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাসেুদের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হনননি ।