আনন্দপ্রকাশ ও তাঁর স্ত্রী আগ্রায় তাজমহল দেখতে যান। তাঁরা তাজমহলের স্থাপত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। প্রকৌশলীদের তাজমহলের স্থাপত্য নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে বলেন।
আনন্দপ্রকাশ প্রথমে প্রকৌশলীদের ৮০ ফুট উঁচু বাড়ি বানাতে বলেন। তবে এ ধরনের বাড়ি বানানোর অনুমতি ছিল না। অনুমতি না পাওয়ার পরও দমে যাননি আনন্দপ্রকাশ। তাজমহলের আদলেই বাড়ি বানাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।
আনন্দপ্রকাশের ওই বাড়ি বানাতে সময় লেগেছে তিন বছর। তাজমহলের থ্রিডি ছবির ওপর ভিত্তি করে বাড়িটি বানানো হয়। আনন্দপ্রকাশের বিশ্বাস, তাঁর বাড়িটি বুরহানপুরে দর্শনীয় স্থান হবে।
বাড়িটির নির্মাণকাজে যুক্ত প্রকৌশলী প্রবীণ চৌকশ বলেন, এটি ৯০ বর্গমিটার প্রশস্ত। এতে অনেক মিনার রয়েছে। বাড়িটির মূল কাঠামো ৬০ বর্গমিটার জুড়ে। উচ্চতা ২৯ ফুট। দুটি তলায় দুটি শোয়ার ঘর রয়েছে। বাড়িটিতে এ ছাড়া আছে রান্নাঘর, গ্রন্থাগার ও যোগাসনের ঘর।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 
















