ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

আফ্রিকায় এক নারী ১০ সন্তান জন্ম দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

ফিচার ডেক্সঃ  কিছুদিন আগে (৪ মে ২০২১) মালির এক নারী এক সঙ্গে ৯টি শিশুর জন্ম দিয়ে রেকর্ড করেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভাঙলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় এক নারী।

তিনি এবার একসঙ্গে সাতটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে অর্থাৎ ১০টি সন্তানের জন্ম দিয়ে শীর্ষে উঠে গেলেন। বিশ্বে একসঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম দেয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে গোসিয়াম থামারা সিথোল নামে ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী গত সোমবার রাতে একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দেন।

গোসিয়ামের স্বামী তেভো সোসোটেসি গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিলেন, গোসিয়ামের গর্ভে একাধিক বাচ্চা রয়েছে।

গর্ভধারণের প্রথম দিক থেকেই প্রিটোরিয়ায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন গোসিয়াম। এদিন বিকেলে হঠাৎ ব্যাথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা অবস্থা বুঝতে পেরে সিজারের মাধ্যমে একে একে তার দশটি সন্তান প্রসব করান।

দুজন বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক ও তিনজন জেনারেল চিকিৎসকের সহযোগিতায় সিজারের মাধ্যমে তার পেট থেকে একে একে ১০টি বাচ্চা বের করে আনা হয়। তাদের মধ্যে সাতজন ছেলে ও তিনজন মেয়ে। এর আগেও জমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন গোসিয়া।

গোসিয়া বলেন, ‘প্রথমদিকে চিকিৎসকরা জমজ সন্তান বলছিলেন। কিন্তু দশটি সন্তান কীভাবে আমার গর্ভে ৩৬ সপ্তাহ ছিল তা অকল্পনীয়। আমি অসুস্থ ছিলাম, এটা আমার জন্য কঠিন সময় ছিল।

আমি কেবল ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেন আমার সব সন্তান সুস্থ থাকে। আমি ও আমার সন্তানরা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। আমি চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানাই।’

প্রিটোরিয়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের উপ-প্রধান অধ্যাপক ডিনি মাওলা বলেন, গোসিয়ার ১০ সন্তান জন্ম দেয়ার ঘটনা বিরল।

সাধারণত ঈশ্বরের সহযোগিতা ছাড়া এমন ঘটনা ঘটে না। নবজাতকদের আগামী কয়েক মাস ইনকিউবেটরে রেখে ওজন ঠিক করতে হবে। কারণ তারা গর্ভাবস্থায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

আফ্রিকায় এক নারী ১০ সন্তান জন্ম দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

আপডেট সময় ১১:১৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

ফিচার ডেক্সঃ  কিছুদিন আগে (৪ মে ২০২১) মালির এক নারী এক সঙ্গে ৯টি শিশুর জন্ম দিয়ে রেকর্ড করেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভাঙলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় এক নারী।

তিনি এবার একসঙ্গে সাতটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে অর্থাৎ ১০টি সন্তানের জন্ম দিয়ে শীর্ষে উঠে গেলেন। বিশ্বে একসঙ্গে দশ সন্তানের জন্ম দেয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে গোসিয়াম থামারা সিথোল নামে ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী গত সোমবার রাতে একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম দেন।

গোসিয়ামের স্বামী তেভো সোসোটেসি গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিলেন, গোসিয়ামের গর্ভে একাধিক বাচ্চা রয়েছে।

গর্ভধারণের প্রথম দিক থেকেই প্রিটোরিয়ায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন গোসিয়াম। এদিন বিকেলে হঠাৎ ব্যাথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা অবস্থা বুঝতে পেরে সিজারের মাধ্যমে একে একে তার দশটি সন্তান প্রসব করান।

দুজন বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক ও তিনজন জেনারেল চিকিৎসকের সহযোগিতায় সিজারের মাধ্যমে তার পেট থেকে একে একে ১০টি বাচ্চা বের করে আনা হয়। তাদের মধ্যে সাতজন ছেলে ও তিনজন মেয়ে। এর আগেও জমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন গোসিয়া।

গোসিয়া বলেন, ‘প্রথমদিকে চিকিৎসকরা জমজ সন্তান বলছিলেন। কিন্তু দশটি সন্তান কীভাবে আমার গর্ভে ৩৬ সপ্তাহ ছিল তা অকল্পনীয়। আমি অসুস্থ ছিলাম, এটা আমার জন্য কঠিন সময় ছিল।

আমি কেবল ইশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেন আমার সব সন্তান সুস্থ থাকে। আমি ও আমার সন্তানরা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। আমি চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানাই।’

প্রিটোরিয়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের উপ-প্রধান অধ্যাপক ডিনি মাওলা বলেন, গোসিয়ার ১০ সন্তান জন্ম দেয়ার ঘটনা বিরল।

সাধারণত ঈশ্বরের সহযোগিতা ছাড়া এমন ঘটনা ঘটে না। নবজাতকদের আগামী কয়েক মাস ইনকিউবেটরে রেখে ওজন ঠিক করতে হবে। কারণ তারা গর্ভাবস্থায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।