ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাড়ে আট হাজার কিমি পাড়ি দিয়ে ভারতে আসছে ৮ চিতা

আন্তর্জাতিক ডেক্স :আগামী নভেম্বরে প্রায় সাড়ে আট হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ভারতে আসছে আটটি চিতা। বিশ্বের দ্রুতগামী এ প্রাণীটি ভারতে বিলুপ্ত। বিলুপ্তির অর্ধশতাব্দী পর অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চিতাগুলো নতুন ঠিকানায় আসছে। তাদের ঠাঁই হবে ভারতের জাতীয় চিড়িয়াখানায়। 

ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের ডিন যাদবেন্দ্রদেব ঝালা বলেন, চিতার জন্য আমাদের নিরাপদ আবাস ও সম্পদ রয়েছে। এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে মাংসাশী প্রাণী স্থানান্তরের ঘটনা বিরল।

দক্ষিণ আফ্রিকা, নাম্বিয়া ও বটসওয়ানায় সাত হাজারের বেশি চিতা রয়েছে। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৮ সালে ভারতে সর্বশেষ চিতা দেখা গিয়েছিল। ১৯০০ সালে চিতার সংখ্যা মারাত্মকভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল।

ডা. ঝালা বলেছেন, চিতা প্রত্যাগমনে মধ্য প্রদেশ ও রাজস্থানের জাতীয় উদ্যান এবং দুটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যে আটটি চিতা ভারতে আসতে চলেছে তাদেরকে প্রথমে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় পার্কে রাখা হবে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা রাজস্থানের মুকুন্দ্র পাহাড়ে পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাঘের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তুলছেন।

ট্যাগস

সাড়ে আট হাজার কিমি পাড়ি দিয়ে ভারতে আসছে ৮ চিতা

আপডেট সময় ০৬:০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেক্স :আগামী নভেম্বরে প্রায় সাড়ে আট হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ভারতে আসছে আটটি চিতা। বিশ্বের দ্রুতগামী এ প্রাণীটি ভারতে বিলুপ্ত। বিলুপ্তির অর্ধশতাব্দী পর অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চিতাগুলো নতুন ঠিকানায় আসছে। তাদের ঠাঁই হবে ভারতের জাতীয় চিড়িয়াখানায়। 

ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের ডিন যাদবেন্দ্রদেব ঝালা বলেন, চিতার জন্য আমাদের নিরাপদ আবাস ও সম্পদ রয়েছে। এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে মাংসাশী প্রাণী স্থানান্তরের ঘটনা বিরল।

দক্ষিণ আফ্রিকা, নাম্বিয়া ও বটসওয়ানায় সাত হাজারের বেশি চিতা রয়েছে। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৮ সালে ভারতে সর্বশেষ চিতা দেখা গিয়েছিল। ১৯০০ সালে চিতার সংখ্যা মারাত্মকভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল।

ডা. ঝালা বলেছেন, চিতা প্রত্যাগমনে মধ্য প্রদেশ ও রাজস্থানের জাতীয় উদ্যান এবং দুটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যে আটটি চিতা ভারতে আসতে চলেছে তাদেরকে প্রথমে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় পার্কে রাখা হবে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা রাজস্থানের মুকুন্দ্র পাহাড়ে পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাঘের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তুলছেন।