ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই সন্তান নীতি থেকে বেরিয়ে আসল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই সন্তান নীতি থেকে বেরিয়ে আসল বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে চীন। এখন থেকে দেশটির যেকোন দম্পতি তিনটি সন্তান নিতে পারবেন। সম্প্রতি চীনের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দেশটি।

সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া। মে মাসে সরকারি হিসাব মতে, ১৯৬০ সালের পর থেকে দেশটিতে জনসংখ্যা উৎপাদন সর্বোচ্চ হারে হ্রাস পেয়েছে।

মূলত ২০১৫ সালে চীনের এক সন্তান নীতি গ্রহণের পর থেকেই কমতে থাকে জনসংখ্যা। চলতিমাসে যা সর্বোচ্চ আকার ধারণ করে। ফলে পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শি জিনপিং সরকার।

চীনের সবশেষ আদমশুমারির তথ্যমতে, গত বছর চীনে এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ১৯৬০- এর দশকের পর এই প্রথম এত কম সংখ্যক শিশু জন্ম নিয়েছে চীনে।

এদিকে চীনের নতুন প্রজন্মের মাঝে সন্তান নেয়ার আগ্রহ কমেছে। বিশেষ করে কর্মজীবী দম্পতিদের মাঝে। তাদের দাবি তারা সবচেয়ে ভালো মা-বাবা হতে পারছেন না। সন্তানের ভবিষ্যত ও পালন ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন চীনের এখনকার মা-বাবারা।

সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান

ট্যাগস

দুই সন্তান নীতি থেকে বেরিয়ে আসল চীন

আপডেট সময় ০৬:২২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই সন্তান নীতি থেকে বেরিয়ে আসল বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে চীন। এখন থেকে দেশটির যেকোন দম্পতি তিনটি সন্তান নিতে পারবেন। সম্প্রতি চীনের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দেশটি।

সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া। মে মাসে সরকারি হিসাব মতে, ১৯৬০ সালের পর থেকে দেশটিতে জনসংখ্যা উৎপাদন সর্বোচ্চ হারে হ্রাস পেয়েছে।

মূলত ২০১৫ সালে চীনের এক সন্তান নীতি গ্রহণের পর থেকেই কমতে থাকে জনসংখ্যা। চলতিমাসে যা সর্বোচ্চ আকার ধারণ করে। ফলে পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শি জিনপিং সরকার।

চীনের সবশেষ আদমশুমারির তথ্যমতে, গত বছর চীনে এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ১৯৬০- এর দশকের পর এই প্রথম এত কম সংখ্যক শিশু জন্ম নিয়েছে চীনে।

এদিকে চীনের নতুন প্রজন্মের মাঝে সন্তান নেয়ার আগ্রহ কমেছে। বিশেষ করে কর্মজীবী দম্পতিদের মাঝে। তাদের দাবি তারা সবচেয়ে ভালো মা-বাবা হতে পারছেন না। সন্তানের ভবিষ্যত ও পালন ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন চীনের এখনকার মা-বাবারা।

সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান