ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেবাননকে কাঁপিয়ে দেওয়ার হুমকি ইসরাইলের

ডেক্স রিপোর্ট :দখলদার ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ লেবাননকে কাঁপিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। লেবাননের বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের ১৯৮২ সালের যুদ্ধের বার্ষিকী উপলক্ষে এক ভাষণে তিনি এ হুমকি দেন।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বেনি গান্তজ বলেন, লেবানন থেকে যদি কোনো হামলা চালানো হয় তাহলে ওই দেশে কাঁপন ধরিয়ে দেওয়া হবে। লেবাননের যেসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হবে তার তালিকা তৈরি করা আছে এবং সে তালিকা গাজার তালিকার চেয়েও বড়।

গাজা যুদ্ধে কার্যত পরাজিত হওয়ার কয়েক দিন পরই ইসরাইল লেবাননের বিরুদ্ধে এ হুমকি দিল। যদিও লেবাননের হিজবুল্লাহ গাজার প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর চেয়েও সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ।

গত মঙ্গলবার হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, সাম্প্রতিক গাজা যুদ্ধে যা ঘটেছে তা ছিল ইসরাইলি শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ইতিহাসে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী।

তিনি বলেন, এ যুদ্ধে যা ঘটেছে তা থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে এই শিক্ষা নিতে হবে যে, বায়তুল মুকাদ্দাস ও মসজিদুল আকসার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।

ট্যাগস

লেবাননকে কাঁপিয়ে দেওয়ার হুমকি ইসরাইলের

আপডেট সময় ০২:৪১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

ডেক্স রিপোর্ট :দখলদার ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ লেবাননকে কাঁপিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। লেবাননের বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের ১৯৮২ সালের যুদ্ধের বার্ষিকী উপলক্ষে এক ভাষণে তিনি এ হুমকি দেন।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বেনি গান্তজ বলেন, লেবানন থেকে যদি কোনো হামলা চালানো হয় তাহলে ওই দেশে কাঁপন ধরিয়ে দেওয়া হবে। লেবাননের যেসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হবে তার তালিকা তৈরি করা আছে এবং সে তালিকা গাজার তালিকার চেয়েও বড়।

গাজা যুদ্ধে কার্যত পরাজিত হওয়ার কয়েক দিন পরই ইসরাইল লেবাননের বিরুদ্ধে এ হুমকি দিল। যদিও লেবাননের হিজবুল্লাহ গাজার প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর চেয়েও সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ।

গত মঙ্গলবার হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, সাম্প্রতিক গাজা যুদ্ধে যা ঘটেছে তা ছিল ইসরাইলি শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ইতিহাসে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী।

তিনি বলেন, এ যুদ্ধে যা ঘটেছে তা থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে এই শিক্ষা নিতে হবে যে, বায়তুল মুকাদ্দাস ও মসজিদুল আকসার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।