ডেক্স রিপোর্ট :করোনায় লকডাউনে ক্রেতাশূন্য দেশীয় কাপড়ের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার নরসিংদীর শেখেরচর বাবুরহাট। ফলে সামনের ঈদ উপলক্ষে বছরের বেচাকেনায় ব্যস্ত থাকার পরিবর্তে অলস সময় কাটাচ্ছেন বিক্রেতারা।
এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান খুলে দেয়া হলেও ভয়াবহ মন্দা এবারের মৌসুমেও।
দেশীয় বস্ত্রের প্রায় ৭০ ভাগ কাপড়ের চাহিদা পূরণ করে পাইকারি বাজার নরসিংদীর শেখেরচর বাবুরহাট। বছরের পর বছর ঈদ উপলক্ষে পাইকারদের ভিড়ে সরগরম থাকলেও করোনাকালীন সময়ের শুরু থেকেই বাজার থাকছে অনেকটা ক্রেতাশূন্য।
লকডাউনে পরিবহন সমস্যায় বাজারে পাইকারি ক্রেতা না আসায়, অধিকাংশ কাপড়ের দোকানে ঝুলছে তালা। আর যারা দোকান খুলেছেন তারাও বসে অলস সময় কাটাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা দুই বছর লোকসানের মুখে।
কাপড় বিক্রেতারা বলছেন, আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ। আমরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কাপড় বিক্রি করতে পারছি না। ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ বলছেন তারা।
এদিকে পাইকারি ক্রেতারা জানান, লকডাউনে যাতায়াতব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকায় দূর থেকে পাইকাররা আসেন না।
বাজারে ঈদ উপলক্ষে আগে বেচাকেনা হাজার কোটি টাকা ছাড়ালেও এখন মাত্র ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে বলে জানান বণিক সমিতির নেতা।
নরসিংদীর শেখেরচর বাবুর হাট বণিক সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক মো. মোখলেসুর রহমান জানান, সপ্তাহে এক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা রমজানকেন্দ্রিক যে বেচাকেনা হতো সেটা নেমে ৭০ থেকে ৮০ কোটিতে নেমে এসেছে। এভাবে যদি চলতে থাকে একসময় দেখা যাবে আমরাও ধ্বংস হয়ে গেছি, বাজারও ধ্বংস হয়ে গেছে।
পাঁচ হাজারেরও বেশি দোকানে প্রায় ৩০ হাজার লোক কর্মরত রয়েছে তিন দিনের এই বাজারে।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 
















