ডেক্স রিপোর্ট:স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে শুরু করেছে ইসরায়েল। ঘরের বাইরে সেদেশে আর মাস্ক পরা আর জরুরি নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে।
অনেক হোটেল রেস্টুরেন্টে সিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা পুরোদমে প্রতিষ্ঠানে ফেরা শুরু করেছে। বিনোদনের থিয়েটার, খেলাধুলাও চালু করা হয়েছে।
জেনো নতুন করে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে ইসরায়েলবাসী।যদিও এখনও চূড়ান্ত সতর্কতা বজায় রেখেছে দেশটির সরকার। কারণ, বাকি পৃথিবী এখনও করোনাকবলিত।
জানা গেছে, ইসরায়েলে ১৬ বছরের বেশি বয়স হলেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। সেই হিসেবে ৮০ শতাংশ ইসরায়েলবাসীরই কোভিড টিকার দুটি ডোজই নেওয়া হয়ে গেছে।
শুধু তাই নয়, গত ১০ মাসে কোভিডে একটিও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি ইসরায়েলে। গত বছর জুন মাসের শেষের দিক থেকেই করোনাতে মৃত্যুর হার শূন্যতে পৌঁছে যাওয়ায় দেশের হাসপাতালগুলোর তাদের স্পেশাল কোভিড ওয়ার্ড বন্ধ করতে শুরু করে।
তবে কিছু জায়গায় বিধিনিষেধও রয়েছে। বদ্ধ ও সংকীর্ণ জায়গাতে মাস্ক পরা ও মানুষের ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ও সভা সমাবেশের জন্য টিকার সনদপত্র ‘গ্রিনপাস’ দেখাতে হয়।
দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এমনকি দেশটির বিদেশি অতিথিদের জন্য তা বহাল রাখা হয়েছে। যদিও দেশটির সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী ২৩ মের পর ইসরায়েলে ভ্রমণ করা যাবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই দর্শনার্থীদের টিকা গ্রহণের সনদপত্র লাগবে।
তবে ইসরায়েলিদের কাছে এমন ধারণা রয়েছে যে মহামারিটির অপর প্রান্তে জীবন কেমন হতে পারে তা তাদের দেশ প্রথম অনুভব করে।
সূত্র: আরব নিউজ
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 
















