ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে তুষার ধসে আটকে পড়া ১৬ শ্রমিক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জোশিমঠে হিমবাহ ভেঙে তুষার ধসে একটি টানেলে আটকে পড়া ১৬ শ্রমিক অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে ফিরেছেন। তারা দূর্ঘটনাস্থলের কাছেই একটি বিদ্যুৎপ্রকল্পের কাজ করা অবস্থায় আটকা পড়েন।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) এই তুষার ধসের ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ১৫০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, চামোলির ওই তুষার ধসের সময় একটি সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন বিদ্যুৎপ্রকল্পের ১৬ জন শ্রমিক।

আচমকা সেই সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে কর্মীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় একে একে ওই ১৬ শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

সকালে তুষারধসের জেরে অলকানন্দা ও ধৌলিগঙ্গা নদীর জলস্তর প্রবলভাবে বেড়ে যায়। তখন ঋষিগঙ্গা পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পে ১৫০ শ্রমিক কাজ করছিলেন।

উত্তরাখাণ্ডের মুখ্যসচিব ওম প্রকাশ জানিয়েছেন, তাদের অনেকেই জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে থাকতে পারেন। তবে নিহত এবং আহত লোকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়া, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ চলছে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

ভারতে তুষার ধসে আটকে পড়া ১৬ শ্রমিক উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জোশিমঠে হিমবাহ ভেঙে তুষার ধসে একটি টানেলে আটকে পড়া ১৬ শ্রমিক অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে ফিরেছেন। তারা দূর্ঘটনাস্থলের কাছেই একটি বিদ্যুৎপ্রকল্পের কাজ করা অবস্থায় আটকা পড়েন।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) এই তুষার ধসের ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ১৫০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, চামোলির ওই তুষার ধসের সময় একটি সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন বিদ্যুৎপ্রকল্পের ১৬ জন শ্রমিক।

আচমকা সেই সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে গেলে কর্মীদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় একে একে ওই ১৬ শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

সকালে তুষারধসের জেরে অলকানন্দা ও ধৌলিগঙ্গা নদীর জলস্তর প্রবলভাবে বেড়ে যায়। তখন ঋষিগঙ্গা পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পে ১৫০ শ্রমিক কাজ করছিলেন।

উত্তরাখাণ্ডের মুখ্যসচিব ওম প্রকাশ জানিয়েছেন, তাদের অনেকেই জলের তোড়ে ভেসে গিয়ে থাকতে পারেন। তবে নিহত এবং আহত লোকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়া, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ চলছে।