ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

আট মাস পর কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আজাদ

এইচএম শাহারীয়ার, পত্নীতলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর পত্নীতলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় আট মাস ১৮ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হলেন সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁ জেলা কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

সাংবাদিক আজাদ নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘দৈনিক আমাদের সময়’ ও ‘দৈনিক অবজারভার’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  তিনি নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়ার আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার আফরোজা আকতার নামের এক কিশোরী করোনাকালে তার পিতা খাবার যোগাড়ে ব্যর্থ হলে সে না খেয়ে থাকার পরে আত্মহত্যা করে।

এ সংবাদ বেলকুচির সব সাংবাদিকবৃন্দ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সহ বিভিন্ন অনলাইনে ফলাও করে প্রকাশ করে। সেই সংবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে পরে সেই কিশোরী আফরোজার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে খাবার সরবরাহসহ আর্থিক সংকট মোচনে সাহার্য্যের হাত বাড়িয়ে দেন বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।

এ সংবাদসহ সরকারি প্রণোদনার একটি চুলচেরা হিসাব দিয়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গত বছরের ১২ এপ্রিল সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদকে নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়া থেকে আটক করে পুলিশ।

পরে পত্নীতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মূলত সংবাদ টি হলো সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার।

সেখানকার সাংবাদিকেরা বহাল তবিয়তে থাকলে মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে নওগাঁর বিশিষ্ট সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দিন আজাদ কে।

ঘটনাটি বেশ কষ্টদায়ক ও দুঃখজনক বলে অনেক সাংবাদিকের বিশ্বাস। এ-র দায় কার? শুধু কি সাংবাদিক আজাদের একার না সেখানকার কর্মরত ও রির্পোট প্রকাশকারী অন্য সাংবাদিকের উপরও বর্তায় বটে।

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

আট মাস পর কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আজাদ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০২১

এইচএম শাহারীয়ার, পত্নীতলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর পত্নীতলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় আট মাস ১৮ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হলেন সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁ জেলা কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

সাংবাদিক আজাদ নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘দৈনিক আমাদের সময়’ ও ‘দৈনিক অবজারভার’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  তিনি নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়ার আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার আফরোজা আকতার নামের এক কিশোরী করোনাকালে তার পিতা খাবার যোগাড়ে ব্যর্থ হলে সে না খেয়ে থাকার পরে আত্মহত্যা করে।

এ সংবাদ বেলকুচির সব সাংবাদিকবৃন্দ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সহ বিভিন্ন অনলাইনে ফলাও করে প্রকাশ করে। সেই সংবাদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে পরে সেই কিশোরী আফরোজার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে খাবার সরবরাহসহ আর্থিক সংকট মোচনে সাহার্য্যের হাত বাড়িয়ে দেন বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।

এ সংবাদসহ সরকারি প্রণোদনার একটি চুলচেরা হিসাব দিয়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গত বছরের ১২ এপ্রিল সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদকে নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়া থেকে আটক করে পুলিশ।

পরে পত্নীতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মূলত সংবাদ টি হলো সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার।

সেখানকার সাংবাদিকেরা বহাল তবিয়তে থাকলে মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে নওগাঁর বিশিষ্ট সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দিন আজাদ কে।

ঘটনাটি বেশ কষ্টদায়ক ও দুঃখজনক বলে অনেক সাংবাদিকের বিশ্বাস। এ-র দায় কার? শুধু কি সাংবাদিক আজাদের একার না সেখানকার কর্মরত ও রির্পোট প্রকাশকারী অন্য সাংবাদিকের উপরও বর্তায় বটে।