ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ   Logo হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১’শ জনকে আসামি করে মামলা, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার Logo চুয়েটে পুকুরে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo দুবাই পাঠানোর নামে জাল ভিসা দিয়ে নওগাঁয় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ Logo রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবর গুজব, বললেন মির্জা ফখরুল Logo নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে আবু বকর-বেলাল Logo নওগাঁয় মাদকের টাকা না পেয়ে  পিতাকে খুন করলো ছেলে Logo নওগাঁয় সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণ ৩ সপ্তাহে হয়নি উদ্ধার Logo নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে কবর ১০ মাস পর শিশুর লাশ উত্তোলন Logo নওগাঁয় ক্লাসরুমের ছাদ ধসে ৭ শিক্ষার্থী আহত

মুসলিম নিপীড়নকারী চীনা কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞায় নারাজ ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  মার্কিন কংগ্রেসে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত হলেও এই মুহূর্তে তা কার্যকর করতে নারাজ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য আলোচনা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। রবিবার (২১ জুন) সে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে এক্সিওস।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠন এরইমধ্যে আলামত হাজির করতে সমর্থ হয়েছে যে; চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর, তার্কিকসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু মুসলমানদের ক্যাম্পে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়।

জাতিসংঘের আশঙ্কা, সেখানে ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। তবে চীনের দাবি এসব ক্যাম্পে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

উইঘুর নির্যাতনে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস হয়। এতে দমন অভিযানে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশটিতে থাকা সম্পদ জব্দের কথা বলা হয়েছে।

এক্সিওসের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি উইঘুর নির্যাতনে জড়িত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করছেন না কেন।

জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘কথা হলো আমরা বড় ধরনের এক বাণিজ্য চুক্তির মধ্যে আছি।

২৫০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্য ক্রয়ের মতো বড় চুক্তি করেছি আমি। আর কেউ যখন আলোচনার মাঝ পর্যায়ে থাকে, আচমকাই সে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।’

চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে বেইজিংয়ের রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিংও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে। এই বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে এ বছরের শুরুর দিকে বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করে চীনও যুক্তরাষ্ট্র।

একে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তি। চুক্তির আওতায় মার্কিন পণ্যসামগ্রী আমদানির পরিমাণ বাড়াবে চীন।

ইতোমধ্যে আগামী দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ও সেবা কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বেইজিং। এর বিপরীতে চীনের ওপর আরোপিত কিছু শুল্ক স্থগিত রাখবে ওয়াশিংটন।

 

ট্যাগস

নওগাঁর আত্রাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ  

মুসলিম নিপীড়নকারী চীনা কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞায় নারাজ ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৮:১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  মার্কিন কংগ্রেসে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত হলেও এই মুহূর্তে তা কার্যকর করতে নারাজ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য আলোচনা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। রবিবার (২১ জুন) সে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করেছে এক্সিওস।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠন এরইমধ্যে আলামত হাজির করতে সমর্থ হয়েছে যে; চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর, তার্কিকসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু মুসলমানদের ক্যাম্পে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়।

জাতিসংঘের আশঙ্কা, সেখানে ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। তবে চীনের দাবি এসব ক্যাম্পে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

উইঘুর নির্যাতনে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস হয়। এতে দমন অভিযানে দায়ী চীনা কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশটিতে থাকা সম্পদ জব্দের কথা বলা হয়েছে।

এক্সিওসের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি উইঘুর নির্যাতনে জড়িত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করছেন না কেন।

জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘কথা হলো আমরা বড় ধরনের এক বাণিজ্য চুক্তির মধ্যে আছি।

২৫০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্য ক্রয়ের মতো বড় চুক্তি করেছি আমি। আর কেউ যখন আলোচনার মাঝ পর্যায়ে থাকে, আচমকাই সে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।’

চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে বেইজিংয়ের রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিংও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে। এই বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে এ বছরের শুরুর দিকে বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করে চীনও যুক্তরাষ্ট্র।

একে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তি। চুক্তির আওতায় মার্কিন পণ্যসামগ্রী আমদানির পরিমাণ বাড়াবে চীন।

ইতোমধ্যে আগামী দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ও সেবা কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বেইজিং। এর বিপরীতে চীনের ওপর আরোপিত কিছু শুল্ক স্থগিত রাখবে ওয়াশিংটন।