ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo এবার ইরানে ইসরাইল হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নেই, ট্রাম্প Logo নওগাঁর পত্নীতলায় গৃহবধূর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর জখম Logo ইসরাইল ও ইরান কে থামতে বললেন ট্রাম্প Logo নওগাঁয় পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন শুরু Logo নওগাঁয় কৃষকের ধান কেটে দিলেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল Logo কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ Logo ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ‘তথ্য সন্ত্রাস’: আত্রাইয়ে দুই ‘ফেসবুকারের তান্ডব Logo রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি গ্রেফতার Logo নওগাঁয় পুলিশের চিরুনি অভিযান: অনলাইন জুয়া সেন্টারের সন্ধান, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ১৫ Logo গাজীপুরে ৫খুন: অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার

সিঁড়িতেই মারা যান কোটিপতি খোকন, ছুঁয়েও দেখল না কেউ

খোকন সাহাসিঁড়িতেই পড়ে থাকে খোকন সাহার মৃতদেহ

স্টাফ রিপোর্টারঃ  স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী খোকন সাহা। নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকায় সাত তলা ভবনের মালিক তিনি। সাত বন্ধু মিলে বাড়িটি তৈরি করা হয়। ওই ভবনের চার তলায় খোকন স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়ে নিয়ে থাকতেন। বিত্ত বৈভব ধন সম্পত্তির কমতি ছিল না তার। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) খোকনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। তখন আশপাশের ফ্ল্যাটে থাকা বন্ধুরা কেউ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করেননি।

পরে তার স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়েই খোকনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাসা থেকে নামানোর সময় সিঁড়িতেই মারা যান খোকন। এরপরও আর কেউ এগিয়ে আসেনি।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ খোকন সাহার মরদেহ সিঁড়িতেই পড়েছিল। কেউ একবারের জন্যও ছুঁয়ে দেখেনি। এমনকি স্ত্রী-কন্যার কান্নায়ও মন গলেনি কারও।

বেলা ১২টার দিকে খবর পেয়ে খোকন সাহার মরদেহ নিয়ে যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

তিনি ও তার দলের লোকজন খোকন সাহার সৎকার সম্পন্ন করেন। মৃতের সম্প্রদায় কিংবা তার স্বজনরা কেউ না আসায় পরিবারের অনুমতি নিয়ে খোকন সাহার মুখাগ্নির কাজটিও করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার নিজেই।

ট্যাগস

এবার ইরানে ইসরাইল হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নেই, ট্রাম্প

সিঁড়িতেই মারা যান কোটিপতি খোকন, ছুঁয়েও দেখল না কেউ

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ  স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী খোকন সাহা। নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকায় সাত তলা ভবনের মালিক তিনি। সাত বন্ধু মিলে বাড়িটি তৈরি করা হয়। ওই ভবনের চার তলায় খোকন স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়ে নিয়ে থাকতেন। বিত্ত বৈভব ধন সম্পত্তির কমতি ছিল না তার। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) খোকনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। তখন আশপাশের ফ্ল্যাটে থাকা বন্ধুরা কেউ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করেননি।

পরে তার স্ত্রী ও ছোট দুই মেয়েই খোকনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাসা থেকে নামানোর সময় সিঁড়িতেই মারা যান খোকন। এরপরও আর কেউ এগিয়ে আসেনি।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ খোকন সাহার মরদেহ সিঁড়িতেই পড়েছিল। কেউ একবারের জন্যও ছুঁয়ে দেখেনি। এমনকি স্ত্রী-কন্যার কান্নায়ও মন গলেনি কারও।

বেলা ১২টার দিকে খবর পেয়ে খোকন সাহার মরদেহ নিয়ে যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

তিনি ও তার দলের লোকজন খোকন সাহার সৎকার সম্পন্ন করেন। মৃতের সম্প্রদায় কিংবা তার স্বজনরা কেউ না আসায় পরিবারের অনুমতি নিয়ে খোকন সাহার মুখাগ্নির কাজটিও করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার নিজেই।