প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচার যেন পুলিশ সদস্যদের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে সক্ষম না হয়। স্বাধীনতার প্রথম প্রহরেই পুলিশের রক্তে রঞ্জিত এই মাটিতে দাঁড়িয়ে আসুন আজ আমরা আবারও নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।’
সাধ্য ও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’—এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১০ মে) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বর্ণাঢ্য প্যারেড শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি পুলিশের শৃঙ্খলা, আত্মমর্যাদা, দায়িত্ববোধ ও ভবিষ্যতের প্রতি অগ্রযাত্রার প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গঠিত বর্তমান সরকার এখন দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই প্রক্রিয়ায় জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব পুলিশের ওপর নির্ভর করে। তাই তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও নিষ্ঠা দিয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা প্রমাণিত হয়েছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম ও দক্ষতা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
নারী পুলিশ সদস্যদের অবদানও বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদেশে তাদের কার্যক্রম যেমন প্রশংসিত, তেমনি দেশেও মানবিক আচরণ ও পেশাদারিত্ব প্রত্যাশিত।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে এবারের পুলিশ সপ্তাহ বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত চলবে।
স্টাফ রিপোর্টার: 










