ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ‘স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং গঠনমূলক’ সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত কাজ করে যাবে, যেখানে দুই দেশের জনগণই হবে মূল সুবিধাভোগী।আজ রবিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে ভারত দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের ‘শান্তি, নিরাপত্তা, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি’ পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে ভারত বিশ্বাস করে।তিনি বাণিজ্য, পরিবহন ও জ্বালানি সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অব্যাহত অগ্রগতিকে বহুমুখী সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তন নির্বিশেষে আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং পারস্পরিক সুবিধার বাস্তবতা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে রাখবে।’

হাইকমিশনার চলতি মাসেই ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু এবং পেট্রাপোল-বেনাপোল সমন্বিত চেকপোস্টের অবকাঠামো উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে দ্বিপাক্ষিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে অব্যাহত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।প্রণয় ভার্মা ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক সংহতকরণের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন।

হাইকমিশনার শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রতি ভারতের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সুনিশ্চিত করার জন্য যে আমাদের অংশীদারিত্ব দুই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

ট্যাগস

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত

আপডেট সময় ১২:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ‘স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং গঠনমূলক’ সম্পর্ক বজায় রাখতে ভারত কাজ করে যাবে, যেখানে দুই দেশের জনগণই হবে মূল সুবিধাভোগী।আজ রবিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে ভারত দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের ‘শান্তি, নিরাপত্তা, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি’ পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে ভারত বিশ্বাস করে।তিনি বাণিজ্য, পরিবহন ও জ্বালানি সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অব্যাহত অগ্রগতিকে বহুমুখী সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তন নির্বিশেষে আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং পারস্পরিক সুবিধার বাস্তবতা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে রাখবে।’

হাইকমিশনার চলতি মাসেই ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু এবং পেট্রাপোল-বেনাপোল সমন্বিত চেকপোস্টের অবকাঠামো উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে দ্বিপাক্ষিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে অব্যাহত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।প্রণয় ভার্মা ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক সংহতকরণের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন।

হাইকমিশনার শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রতি ভারতের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সুনিশ্চিত করার জন্য যে আমাদের অংশীদারিত্ব দুই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।