ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন Logo নওগাঁয় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক জমি আত্মসাতের চেষ্টা   Logo ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ: শিক্ষককে নিয়ে লিখেছে চিরকুট Logo মহাদেবপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় পাঠাগারে ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা Logo আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির সাবেক ভিসির ১০ বছর কারাদণ্ড Logo আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুইজনের ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন Logo বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে: সিইসি Logo হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা Logo মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo হামের টিকা সংকটের দায় গত সরকারের; স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের তদন্ত চায় বাংলাদেশসহ ৫ দেশ

ফিলিস্তিনের গাজা ‍উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) পোস্ট এক এক বিবৃতিতে আইসিসির প্রসিকিউটর করিম আহমেদ খান জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, বলিভিয়া, কমোরোস ও জিবুতি যৌথভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ওই আবেদন করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা বলেছে, গাজার বর্তমান পরিস্থিতির দিকে আইসিসি যেন জরুরিভিত্তিতে মনোযোগ দেয় ও তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। ২০১৪ সালের ১৩ জুন ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে আগে থেকেই একটি তদন্ত চালিয়ে আসছে আইসিসি। ফলে শুক্রবার বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ যে আবেদন জমা দিয়েছে, বাস্তবে সেটির প্রভাব হবে সীমিত।

আইসিসির প্রসিকিউটর বলেন, গত ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে সংঘাত ও সহিংসতা বৃদ্ধির ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। করিম আহমেদ খান আরও জানিয়েছেন, ২০০২ সালে যে রোমান সংবিধির ওপর ভিত্তি করে আইসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অনুযায়ী কোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি বাইরের কোনো রাষ্ট্রের হামলার শিকার হয় ও ওই হামলাকারী রাষ্ট্র যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সনদে সইকারী কিংবা স্বীকৃতি দানকারী দেশ না-ও হয়, ওই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে আইসিসি।

আইসিসি প্রসিকিউটরের দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, এরই মধ্যে তারা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ও ফিলিস্তিনিদের মাধ্যমে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ‘উল্লেখযোগ্য তথ্য ও প্রমাণ’ সংগ্রহ করেছে। ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয়। এ আদালতের বিচারিক এখতিয়ারকেও স্বীকৃতি দেয় না দেশটি। তবে ফিলিস্তিন অঞ্চল ২০১৫ সাল থেকে আইসিসির সদস্য। সে কারণেই ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত দিয়েছিল আইসিসি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করে আসছে, গাজায় হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স ও শরণার্থীশিবিরে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করছে ইসরায়েল। এছাড়া সংস্থাগুলোর অভিযোগ, গাজায় অবরোধ চাপিয়ে দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের খাবার, পানি ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করাও মানবতাবিরোধী অপরাধ।

নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের তদন্ত চায় বাংলাদেশসহ ৫ দেশ

আপডেট সময় ১২:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

ফিলিস্তিনের গাজা ‍উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) পোস্ট এক এক বিবৃতিতে আইসিসির প্রসিকিউটর করিম আহমেদ খান জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, বলিভিয়া, কমোরোস ও জিবুতি যৌথভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ওই আবেদন করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা বলেছে, গাজার বর্তমান পরিস্থিতির দিকে আইসিসি যেন জরুরিভিত্তিতে মনোযোগ দেয় ও তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। ২০১৪ সালের ১৩ জুন ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে আগে থেকেই একটি তদন্ত চালিয়ে আসছে আইসিসি। ফলে শুক্রবার বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ যে আবেদন জমা দিয়েছে, বাস্তবে সেটির প্রভাব হবে সীমিত।

আইসিসির প্রসিকিউটর বলেন, গত ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে সংঘাত ও সহিংসতা বৃদ্ধির ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। করিম আহমেদ খান আরও জানিয়েছেন, ২০০২ সালে যে রোমান সংবিধির ওপর ভিত্তি করে আইসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা অনুযায়ী কোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি বাইরের কোনো রাষ্ট্রের হামলার শিকার হয় ও ওই হামলাকারী রাষ্ট্র যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সনদে সইকারী কিংবা স্বীকৃতি দানকারী দেশ না-ও হয়, ওই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে আইসিসি।

আইসিসি প্রসিকিউটরের দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, এরই মধ্যে তারা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ও ফিলিস্তিনিদের মাধ্যমে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ‘উল্লেখযোগ্য তথ্য ও প্রমাণ’ সংগ্রহ করেছে। ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য নয়। এ আদালতের বিচারিক এখতিয়ারকেও স্বীকৃতি দেয় না দেশটি। তবে ফিলিস্তিন অঞ্চল ২০১৫ সাল থেকে আইসিসির সদস্য। সে কারণেই ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত দিয়েছিল আইসিসি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করে আসছে, গাজায় হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স ও শরণার্থীশিবিরে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করছে ইসরায়েল। এছাড়া সংস্থাগুলোর অভিযোগ, গাজায় অবরোধ চাপিয়ে দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের খাবার, পানি ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করাও মানবতাবিরোধী অপরাধ।