ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo এবার ইরানে ইসরাইল হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নেই, ট্রাম্প Logo নওগাঁর পত্নীতলায় গৃহবধূর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর জখম Logo ইসরাইল ও ইরান কে থামতে বললেন ট্রাম্প Logo নওগাঁয় পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন শুরু Logo নওগাঁয় কৃষকের ধান কেটে দিলেন এমপি ফজলে হুদা বাবুল Logo কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ Logo ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ‘তথ্য সন্ত্রাস’: আত্রাইয়ে দুই ‘ফেসবুকারের তান্ডব Logo রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি গ্রেফতার Logo নওগাঁয় পুলিশের চিরুনি অভিযান: অনলাইন জুয়া সেন্টারের সন্ধান, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ১৫ Logo গাজীপুরে ৫খুন: অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফাঁসছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের  ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে  তার বিরুদ্ধে মামলা  দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) বিচারক মোশাররফ হোসেন রোববার এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। তাঁর হেফাজতে থাকা এক হাজার ইয়াবা বড়ি দিয়ে ওই ছাত্রীকে বেআইনিভাবে আটক করেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেন।

এ জন্য এসআই সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন। জানতে চাইলে আহসানুর রহমান গতকাল সোমবার  বলেন, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেতে ওই ছাত্রীর বাসায় অভিযান চালানো হয়। তখন তাঁর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন এসআই সাজ্জাদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, জামিনে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি ঘটনার তদন্ত করেন। তদন্তে উঠে আসে সেদিন ওই ছাত্রীর কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়নি। আহসানুর আরও বলেন, যে নারী এসআইয়ের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, সেই এসআই রোকেয়া আক্তার লিখিতভাবে জানান, ওই দিন তিনি অভিযানে যাননি। ওই ছাত্রীকেও তিনি চেনেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরের (উত্তর) উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান  বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এসআই সাজ্জাদ মিথ্যা মামলা দেন। এদিকে এসআই সাজ্জাদ  দাবি করেছেন, ওই ছাত্রীর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেই তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার আহসানুর রহমানকে তিনি বলেছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। মিথ্যা মামলার কারণে আমাকে চার মাস জেল খাটতে হয়েছে। আমি তাঁর উপযুক্ত শাস্তি চাই।’

 

এবার ইরানে ইসরাইল হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নেই, ট্রাম্প

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফাঁসছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ১১:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের  ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে  তার বিরুদ্ধে মামলা  দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (সিএমএম) বিচারক মোশাররফ হোসেন রোববার এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। তাঁর হেফাজতে থাকা এক হাজার ইয়াবা বড়ি দিয়ে ওই ছাত্রীকে বেআইনিভাবে আটক করেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেন।

এ জন্য এসআই সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন। জানতে চাইলে আহসানুর রহমান গতকাল সোমবার  বলেন, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেতে ওই ছাত্রীর বাসায় অভিযান চালানো হয়। তখন তাঁর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন এসআই সাজ্জাদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, জামিনে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি ঘটনার তদন্ত করেন। তদন্তে উঠে আসে সেদিন ওই ছাত্রীর কাছ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়নি। আহসানুর আরও বলেন, যে নারী এসআইয়ের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, সেই এসআই রোকেয়া আক্তার লিখিতভাবে জানান, ওই দিন তিনি অভিযানে যাননি। ওই ছাত্রীকেও তিনি চেনেন না।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরের (উত্তর) উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান  বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এসআই সাজ্জাদ মিথ্যা মামলা দেন। এদিকে এসআই সাজ্জাদ  দাবি করেছেন, ওই ছাত্রীর কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলেই তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার আহসানুর রহমানকে তিনি বলেছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন এসআই সাজ্জাদ। মিথ্যা মামলার কারণে আমাকে চার মাস জেল খাটতে হয়েছে। আমি তাঁর উপযুক্ত শাস্তি চাই।’