ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগস্ট মাসের মাঝে চাল না দিলে মিলের লাইসেন্স বাতিল; খাদ্যমন্ত্রী

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন ”খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার”

স্টাফ রিপোর্টারঃ  মিল পর্যায়ে সরকারি চাল সংগ্রহের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, চাল উৎপাদনকারী মিলার ও ব্যবাসায়ীদের সুবিধার্থে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যারা চুক্তিবদ্ধ চাল দিতে পারবেন না তাদের মিলের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে বগুড়ার সান্তাহার সিএসডি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে শুল্কমুক্ত চাল আমদানী হয়েছে বলেই চালের দাম কম ছিলো। কিন্তু বর্তমানে সাড়ে ৬২ শতাংশ শুল্কে চাল আমদানী করতে হয়। আমরা যেমন কৃষক বাঁচাতে চাই, তেমনি নিম্ন আয়ের ভোক্তাকেও সুবিধা দিতে চাই। তাই বলে ২০১৮ সালের হিসেবে চাল খেতে চাইলে হবে না। আঠারো সালের হিসেবে চাল খেতে চাইলে আবারও শুল্কমুক্ত চাল আমদানি করতে হবে। তখন বাজারে ধানের দাম ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় নেমে যাবে। কৃষক মরে যাবে। সরকার কৃষক ও নিম্ন আয়ের ভোক্তা উভয়কেই বাঁচানোর চেষ্টা করছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারী সংগ্রহে বেশি মজুদ আছে বলেই সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ ওএমএস চালু করতে যাচ্ছে সরকার।’

এ সময় রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুখ হোসেন পাটওয়ারীসহ খাদ্য বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আগস্ট মাসের মাঝে চাল না দিলে মিলের লাইসেন্স বাতিল; খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ  মিল পর্যায়ে সরকারি চাল সংগ্রহের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, চাল উৎপাদনকারী মিলার ও ব্যবাসায়ীদের সুবিধার্থে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে যারা চুক্তিবদ্ধ চাল দিতে পারবেন না তাদের মিলের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে বগুড়ার সান্তাহার সিএসডি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে শুল্কমুক্ত চাল আমদানী হয়েছে বলেই চালের দাম কম ছিলো। কিন্তু বর্তমানে সাড়ে ৬২ শতাংশ শুল্কে চাল আমদানী করতে হয়। আমরা যেমন কৃষক বাঁচাতে চাই, তেমনি নিম্ন আয়ের ভোক্তাকেও সুবিধা দিতে চাই। তাই বলে ২০১৮ সালের হিসেবে চাল খেতে চাইলে হবে না। আঠারো সালের হিসেবে চাল খেতে চাইলে আবারও শুল্কমুক্ত চাল আমদানি করতে হবে। তখন বাজারে ধানের দাম ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকায় নেমে যাবে। কৃষক মরে যাবে। সরকার কৃষক ও নিম্ন আয়ের ভোক্তা উভয়কেই বাঁচানোর চেষ্টা করছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারী সংগ্রহে বেশি মজুদ আছে বলেই সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ ওএমএস চালু করতে যাচ্ছে সরকার।’

এ সময় রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুখ হোসেন পাটওয়ারীসহ খাদ্য বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।