ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কামরাঙ্গীরচরে বিস্ফোরণে ঝলসে গেল একই পরিবারের ৫ জন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেয়ার সময় বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন- আব্দুল মতিন (৪০), তার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৫), মেয়ে মায়েশা (৯) ও আয়েশা (৫) এবং ভাগ্নে আবুল খায়ের রায়হান (২৫)।

ইনস্টিটিউটের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মতিনের শরীরের ৯২ শতাংশ, ইয়াসমিনের ৯৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৬ শতাংশ, মায়েশার ৪২ শতাংশ ও রায়হানের ১৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ রায়হান জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাদের বাসা কামরাঙ্গীরচর এলাকাতেই। গতরাতে তিনি ওই বাসাতে মায়ের কাছে ছিলেন। ভোরে বিকট শব্দে তাদের ঘুম ভাঙে এবং চারদিকে আগুন দেখতে পান।

রায়হান বলেন, আমার মামা আব্দুল মতিন প্রতিদিন বাসাতেই অটোরিকশা চার্জ করতেন। রাতে সেই চার্জার থেকেই বিস্ফোরণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তিনি জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনন্দপুরে। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, কামরাঙ্গীরচরে অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণ দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজন এসেছেন। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ট্যাগস

কামরাঙ্গীরচরে বিস্ফোরণে ঝলসে গেল একই পরিবারের ৫ জন

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুলাই ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেয়ার সময় বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন- আব্দুল মতিন (৪০), তার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৫), মেয়ে মায়েশা (৯) ও আয়েশা (৫) এবং ভাগ্নে আবুল খায়ের রায়হান (২৫)।

ইনস্টিটিউটের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মতিনের শরীরের ৯২ শতাংশ, ইয়াসমিনের ৯৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৬ শতাংশ, মায়েশার ৪২ শতাংশ ও রায়হানের ১৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

দগ্ধ রায়হান জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাদের বাসা কামরাঙ্গীরচর এলাকাতেই। গতরাতে তিনি ওই বাসাতে মায়ের কাছে ছিলেন। ভোরে বিকট শব্দে তাদের ঘুম ভাঙে এবং চারদিকে আগুন দেখতে পান।

রায়হান বলেন, আমার মামা আব্দুল মতিন প্রতিদিন বাসাতেই অটোরিকশা চার্জ করতেন। রাতে সেই চার্জার থেকেই বিস্ফোরণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তিনি জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনন্দপুরে। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, কামরাঙ্গীরচরে অটোরিকশার চার্জার বিস্ফোরণ দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচজন এসেছেন। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।