ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ২ জনের মৃত্যু

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় নতুন নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের কাজ করতে নেমে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুজন। তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৫ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মালেক (৫০) সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পন্ডিতের হাট এলাকার তজু ব্যাপারীর ছেলে ও জসিম (৩৫) একই এলাকার কালু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় আহত হন মো. শাহাবুদ্দিন (২৯) ও মো. কবির (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. আলাউদ্দিন বলেন, সকালের দিকে আব্দুল মালেকের বাড়ির নির্মাণাধীন নতুন সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করতে মিস্ত্রি জসিম ভেতরে প্রবেশ করেন।

মিস্ত্রির সঙ্গে মালেকও ট্যাংকে নামেন। এসময় বিষাক্ত গ্যাস ক্রিয়ায় তারা চিৎকার শুরু করেন। তাদের বাঁচাতে শাহাবুদ্দিন ও কবিরও ভেতরে ঢুকলে সবাই বিষাক্ত গ্যাস ক্রিয়ায় আক্রান্ত হন।

পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আমানুল্লাহ্ জানান, সেপটিক ট্যাংকে দুর্ঘটনায় চারজনেক হাসপাতালে আনা হয়।

এদের মধ্যে আব্দুল মালেক ও মো. জসিম নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন মো. শাহাবুদ্দিন ও মো. কবির।

ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনিসুল রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ট্যাংকের ভেতর থেকে চারজনকে উদ্ধার করেন সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে দুজন নিহত হয়েছেন।

ট্যাগস

ভোলায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ২ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:১৪:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় নতুন নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের কাজ করতে নেমে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুজন। তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৫ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মালেক (৫০) সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পন্ডিতের হাট এলাকার তজু ব্যাপারীর ছেলে ও জসিম (৩৫) একই এলাকার কালু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় আহত হন মো. শাহাবুদ্দিন (২৯) ও মো. কবির (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. আলাউদ্দিন বলেন, সকালের দিকে আব্দুল মালেকের বাড়ির নির্মাণাধীন নতুন সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করতে মিস্ত্রি জসিম ভেতরে প্রবেশ করেন।

মিস্ত্রির সঙ্গে মালেকও ট্যাংকে নামেন। এসময় বিষাক্ত গ্যাস ক্রিয়ায় তারা চিৎকার শুরু করেন। তাদের বাঁচাতে শাহাবুদ্দিন ও কবিরও ভেতরে ঢুকলে সবাই বিষাক্ত গ্যাস ক্রিয়ায় আক্রান্ত হন।

পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আমানুল্লাহ্ জানান, সেপটিক ট্যাংকে দুর্ঘটনায় চারজনেক হাসপাতালে আনা হয়।

এদের মধ্যে আব্দুল মালেক ও মো. জসিম নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন মো. শাহাবুদ্দিন ও মো. কবির।

ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনিসুল রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ট্যাংকের ভেতর থেকে চারজনকে উদ্ধার করেন সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে দুজন নিহত হয়েছেন।