ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন হিলির পান চাষিরা

হিলি প্রতিনিধি :গত বছর বন্যা ও বিভিন্ন রোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন হিলির পান চাষিরা। চাহিদার পাশাপাশি ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় তারা খুশি। পানের বরজে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ হয়েছে অনেকের।

হিলির সীমান্তবর্তী কাতলা, ঘাশুরিয়া ও মাধবপাড়া এলাকার ৩৬ হেক্টর জমিতে কেবলই সবুজের সমারোহ। রোপণের ছয় মাসেই প্রতিটি বরজে এখন পরিপক্ক পানপাতা। সীমান্তবর্তী এই তিন এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০০টির মতো পানের বরজ।

গত বছর ক্ষতি হলেও এবার লাভের আশা করছেন এখনাকার চাষিরা। তবে ভারত থেকে পান আসা বন্ধ না হলে আবারো তাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে জানান তারা।

সীমান্তবর্তী এসব পান বরজে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে শতাধিক পরিবারের। এতে পরিবারগুলোর মাঝে কিছুটা স্বচ্ছলতাও এসেছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় পানের চাষ বাড়ানোর পাশাপাশি পান চাষিরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান হাকিমপুর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিব হাসান।

একটা সময় সীমান্তবর্তী এসব এলাকার মানুষ কেবল চোরাচালানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন অবস্থা পাল্টেছে। অনেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে পান চাষ করে। আর সুস্বাদু হওয়ায় এখানকার পানের বেশ চাহিদাও রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

ট্যাগস

ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন হিলির পান চাষিরা

আপডেট সময় ১২:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

হিলি প্রতিনিধি :গত বছর বন্যা ও বিভিন্ন রোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন হিলির পান চাষিরা। চাহিদার পাশাপাশি ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় তারা খুশি। পানের বরজে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ হয়েছে অনেকের।

হিলির সীমান্তবর্তী কাতলা, ঘাশুরিয়া ও মাধবপাড়া এলাকার ৩৬ হেক্টর জমিতে কেবলই সবুজের সমারোহ। রোপণের ছয় মাসেই প্রতিটি বরজে এখন পরিপক্ক পানপাতা। সীমান্তবর্তী এই তিন এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০০টির মতো পানের বরজ।

গত বছর ক্ষতি হলেও এবার লাভের আশা করছেন এখনাকার চাষিরা। তবে ভারত থেকে পান আসা বন্ধ না হলে আবারো তাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে জানান তারা।

সীমান্তবর্তী এসব পান বরজে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে শতাধিক পরিবারের। এতে পরিবারগুলোর মাঝে কিছুটা স্বচ্ছলতাও এসেছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় পানের চাষ বাড়ানোর পাশাপাশি পান চাষিরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান হাকিমপুর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিব হাসান।

একটা সময় সীমান্তবর্তী এসব এলাকার মানুষ কেবল চোরাচালানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন অবস্থা পাল্টেছে। অনেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে পান চাষ করে। আর সুস্বাদু হওয়ায় এখানকার পানের বেশ চাহিদাও রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।