ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের ৫ লাখ এবং নিহতদের ২০ লাখ টাকা দেয়ার দাবি

স্টাফ রিপোর্টারঃ  সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদ ৫ লাখ এবং নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা তহবিল, ট্রাস্টি বোর্ড এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ রয়েছে। তবে আইন কার্যকর হলেও অর্থিক সহায়তা তহবিল ও বিধিমালা না প্রণয়ন হওয়াতে এ সহায়তা মিলছে না। কিন্তু নতুন আইনের আওতায় জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি, আহতদের ক্ষতিপূরণ কমে ৩ লাখ ও নিহতদের ৫ লাখ করার পায়তারা চলছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের পক্ষে আমরা আইন অনুয়ায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

বিধিমালা না থাকায়, আইন হলেও সড়কের অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। মালিকপক্ষের একচ্ছত্র আধিপত্যে সরকারের স্বদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

সড়কে আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণ যথাযথভাবে প্রেরণে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সৎ ও যোগ্য লোক দিয়ে এ বোর্ড গঠন করে সহায়তা প্রদাণ করতে হবে। এ ট্রাস্টি বোর্ডে শুধু মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের কর্তৃত্ব থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিপূরণ হিসেবে যথাযথ সহায়তা পাবে না।’

ট্যাগস

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের ৫ লাখ এবং নিহতদের ২০ লাখ টাকা দেয়ার দাবি

আপডেট সময় ০১:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ  সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদ ৫ লাখ এবং নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা তহবিল, ট্রাস্টি বোর্ড এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ রয়েছে। তবে আইন কার্যকর হলেও অর্থিক সহায়তা তহবিল ও বিধিমালা না প্রণয়ন হওয়াতে এ সহায়তা মিলছে না। কিন্তু নতুন আইনের আওতায় জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি, আহতদের ক্ষতিপূরণ কমে ৩ লাখ ও নিহতদের ৫ লাখ করার পায়তারা চলছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের পক্ষে আমরা আইন অনুয়ায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

বিধিমালা না থাকায়, আইন হলেও সড়কের অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। মালিকপক্ষের একচ্ছত্র আধিপত্যে সরকারের স্বদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

সড়কে আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণ যথাযথভাবে প্রেরণে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারি সৎ ও যোগ্য লোক দিয়ে এ বোর্ড গঠন করে সহায়তা প্রদাণ করতে হবে। এ ট্রাস্টি বোর্ডে শুধু মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের কর্তৃত্ব থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিপূরণ হিসেবে যথাযথ সহায়তা পাবে না।’