ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প জামাতাকে নিয়ে আমিরাতের উদ্দেশে ইসরায়েলি ফ্লাইটের যাত্রা

ট্রাম্প জামাতাকে নিয়ে আমিরাতের উদ্দেশে ইসরায়েলি ফ্লাইটের যাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের এক বিতর্কিত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে।

সোমবার মার্কিন ও ইসরায়েলি শীর্ষ এক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে তেলআবিব থেকে আবু ধাবির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে বাণিজ্যিক একটি বিমান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শীর্ষ সহযোগীরা ইসরায়েলি বিমান সংস্থা ই-ওয়ান এ-ওয়ানের একটি ফ্লাইটে তেলআবিব থেকে আবুধাবি যাচ্ছেন।

এর আগে, রোববার ইসরায়েলের অনুরোধের পর ই-এল এ-এলের ফ্লাইট এলওয়াও৯৭১ সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি পায়।

ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক না থাকায় আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি ছিল না। প্রথমবারের মতো নিজেদের আকাশ ব্যবহারে তেলআবিবকে অনুমতি দিলো রিয়াদ।

ইসরায়েলের প্রথম এই ফ্লাইটে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও ব্রায়েন।

এছাড়া ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন-শাব্বাতও রয়েছেন। ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলে আরও শান্তিপূর্ণ যুগের আশাপ্রকাশ করেছেন জ্যারেড কুশনার।

ই-এল এ-এলের ফ্লাইট উড্ডয়নের আগে কুশনার তেলআবিবে সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক ফ্লাইট। আমরা আশা করছি- এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য এবং এর বাইরে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হবে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের দুই দিনের এই সফরে ওয়াশিংটনে আগামী মাসের মাঝের দিকে নেতানিয়াহু এবং আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সাক্ষরের তারিখ নির্ধারিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

তেলআবিবের প্রথম এই ফ্লাইটে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জারেড কুশনার। এছাড়াও আছেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন শাবাত ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ান৷

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের বহনকারী বিমানটিতে ‘শান্তি’ শব্দটি ইংরেজি, হিব্রু এবং আরবি ভাষায় লেখা হয়েছে।

গত ১৩ আগস্ট আমিরাতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনে ইসরায়েল শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় জানান।

এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন লড়াই, ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্যের পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতি খোল-নলচে পাল্টে যেতে পারে।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তিটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি বাতিল হওয়া উচিত।

ট্যাগস

ট্রাম্প জামাতাকে নিয়ে আমিরাতের উদ্দেশে ইসরায়েলি ফ্লাইটের যাত্রা

আপডেট সময় ০৬:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের এক বিতর্কিত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে।

সোমবার মার্কিন ও ইসরায়েলি শীর্ষ এক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে তেলআবিব থেকে আবু ধাবির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে বাণিজ্যিক একটি বিমান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শীর্ষ সহযোগীরা ইসরায়েলি বিমান সংস্থা ই-ওয়ান এ-ওয়ানের একটি ফ্লাইটে তেলআবিব থেকে আবুধাবি যাচ্ছেন।

এর আগে, রোববার ইসরায়েলের অনুরোধের পর ই-এল এ-এলের ফ্লাইট এলওয়াও৯৭১ সৌদি আরবের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি পায়।

ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক না থাকায় আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি ছিল না। প্রথমবারের মতো নিজেদের আকাশ ব্যবহারে তেলআবিবকে অনুমতি দিলো রিয়াদ।

ইসরায়েলের প্রথম এই ফ্লাইটে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও ব্রায়েন।

এছাড়া ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন-শাব্বাতও রয়েছেন। ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলে আরও শান্তিপূর্ণ যুগের আশাপ্রকাশ করেছেন জ্যারেড কুশনার।

ই-এল এ-এলের ফ্লাইট উড্ডয়নের আগে কুশনার তেলআবিবে সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক ফ্লাইট। আমরা আশা করছি- এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য এবং এর বাইরে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হবে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের দুই দিনের এই সফরে ওয়াশিংটনে আগামী মাসের মাঝের দিকে নেতানিয়াহু এবং আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সাক্ষরের তারিখ নির্ধারিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।

তেলআবিবের প্রথম এই ফ্লাইটে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জারেড কুশনার। এছাড়াও আছেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন শাবাত ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ান৷

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের বহনকারী বিমানটিতে ‘শান্তি’ শব্দটি ইংরেজি, হিব্রু এবং আরবি ভাষায় লেখা হয়েছে।

গত ১৩ আগস্ট আমিরাতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনে ইসরায়েল শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় জানান।

এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন লড়াই, ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্যের পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতি খোল-নলচে পাল্টে যেতে পারে।

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তিটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি বাতিল হওয়া উচিত।