ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ : রাষ্ট্রপতি

অদক্ষ চলক আর ল্যাইসেন্স বিহীন গাড়ি চলাচলের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সড়ক  দুর্ঘটনা প্রায় নিত্য দিনের ঘটনা  সড়ক নিরাপদ রাখতে সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, সড়কে দুর্ঘটনারোধে সরকারের গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপের পাশাপাশি মালিক, শ্রমিক, যাত্রী, পথচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের আইন ও বিধিনিষেধ জানা ও সেগুলো মেনে চলতে হবে। আজ (২২ অক্টোবর) জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নিরাপদ সড়ক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার বিকল্প নেই। তাই উন্নত ও দক্ষ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের গৃহীত নানামুখী উদ্যোগ পরিবহন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। দেশব্যাপী গড়ে তোলা হয়েছে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০৪১’ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মহাসড়ক ছয় লেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আট লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে সম্প্রতি মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। কর্ণফুলির বুক চিরে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সহজ, আরামদায়ক ও ঝুঁকিমুক্ত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সড়ক ডিভাইডার নির্মাণ, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস নির্মাণ, ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যাল স্থাপন, পুনঃস্থাপন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানামুখী উদ্যোগ ও কার্যক্রম চালু রয়েছে। এসব পদক্ষেপ স্বপ্নের এক নতুন বাংলাদেশ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সড়ক নিরাপত্তা। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সড়কে মোটরযানের সংখ্যা ও সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়, অনেক পরিবার চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে।

সর্বাধিক পঠিত

‘আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ১০:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩

অদক্ষ চলক আর ল্যাইসেন্স বিহীন গাড়ি চলাচলের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সড়ক  দুর্ঘটনা প্রায় নিত্য দিনের ঘটনা  সড়ক নিরাপদ রাখতে সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, সড়কে দুর্ঘটনারোধে সরকারের গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপের পাশাপাশি মালিক, শ্রমিক, যাত্রী, পথচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলের আইন ও বিধিনিষেধ জানা ও সেগুলো মেনে চলতে হবে। আজ (২২ অক্টোবর) জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নিরাপদ সড়ক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার বিকল্প নেই। তাই উন্নত ও দক্ষ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের গৃহীত নানামুখী উদ্যোগ পরিবহন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। দেশব্যাপী গড়ে তোলা হয়েছে বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০৪১’ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মহাসড়ক ছয় লেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আট লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে সম্প্রতি মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। কর্ণফুলির বুক চিরে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে পরিবর্তন ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সহজ, আরামদায়ক ও ঝুঁকিমুক্ত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সড়ক ডিভাইডার নির্মাণ, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস নির্মাণ, ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যাল স্থাপন, পুনঃস্থাপন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানামুখী উদ্যোগ ও কার্যক্রম চালু রয়েছে। এসব পদক্ষেপ স্বপ্নের এক নতুন বাংলাদেশ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সড়ক নিরাপত্তা। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সড়কে মোটরযানের সংখ্যা ও সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়, অনেক পরিবার চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে।