ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেঘালয়ে আকস্মিক বন্যা, দেশের হাওরাঞ্চলে শংকা

আকস্মিক বন্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে।

এদিকে, সেখানে এই বন্যার পর ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের উত্তরাংশ, বিশেষ করে হাওরাঞ্চল ঘিরে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৫ মে) প্রবল বর্ষণ শুরু হয় পাহাড়ি জনপদ মেঘালয়ে। এই বর্ষণের কারণে কিছু কিছু এলাকায় ছয় ফুটেরও বেশি পানি জমে যায়।

এতে প্লাবিত হয় পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার গোটা রকসামগ্র বাজার। ভেসে যায় ওই শহরে থাকা একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা লোকজনকে সরিয়ে নেয়।

মেঘালয়ের সংবাদমাধ্যম আরও জানায়, অবিরাম ভারী বর্ষণের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় ভেসে গেছে পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার উত্তরভাগের ১১টি গ্রাম। ভেসে গেছে অনেক সড়ক ও সেতু। কিছু এলাকা প্রবল প্রবহমান নদীতে পরিণত হয়েছে।

আসাম বা মেঘালয়ে প্রবল বর্ষণ হলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিলেটেও এর প্রভাব পড়ে।

সেখানকার জলস্রোত তেড়ে আসে ভাটির হাওরাঞ্চলে। ভেসে যায় জনপদের পর জনপদ। অবশ্য এবার এরই মধ্যে হাওরের ধান ঘরে তুলে ফেলেছেন কৃষক। সেজন্য কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করছে ওই অঞ্চলের জনপদে।

 

ট্যাগস

আলিশান চাল, নওগাঁ

বিজ্ঞাপন দিন

মেঘালয়ে আকস্মিক বন্যা, দেশের হাওরাঞ্চলে শংকা

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে।

এদিকে, সেখানে এই বন্যার পর ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের উত্তরাংশ, বিশেষ করে হাওরাঞ্চল ঘিরে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৫ মে) প্রবল বর্ষণ শুরু হয় পাহাড়ি জনপদ মেঘালয়ে। এই বর্ষণের কারণে কিছু কিছু এলাকায় ছয় ফুটেরও বেশি পানি জমে যায়।

এতে প্লাবিত হয় পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার গোটা রকসামগ্র বাজার। ভেসে যায় ওই শহরে থাকা একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা লোকজনকে সরিয়ে নেয়।

মেঘালয়ের সংবাদমাধ্যম আরও জানায়, অবিরাম ভারী বর্ষণের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় ভেসে গেছে পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার উত্তরভাগের ১১টি গ্রাম। ভেসে গেছে অনেক সড়ক ও সেতু। কিছু এলাকা প্রবল প্রবহমান নদীতে পরিণত হয়েছে।

আসাম বা মেঘালয়ে প্রবল বর্ষণ হলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিলেটেও এর প্রভাব পড়ে।

সেখানকার জলস্রোত তেড়ে আসে ভাটির হাওরাঞ্চলে। ভেসে যায় জনপদের পর জনপদ। অবশ্য এবার এরই মধ্যে হাওরের ধান ঘরে তুলে ফেলেছেন কৃষক। সেজন্য কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করছে ওই অঞ্চলের জনপদে।