ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

খুলনা নগরীর পূর্ব বানিয়াখামারের কাস্টম গলি থেকে মরিয়ম  নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মরিয়ম নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আনছার উদ্দিন শেখের মেয়ে। তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে নিরালা মোড়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মরিয়ম। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতভর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতে খোঁজ নেওয়া হলেও তার সন্ধান মেলেনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যুর সংবাদ জানতে পারে পরিবার।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ির মালিক সুমনের ছোট ভাই বরাতের সঙ্গে নিহত নারীর পরিচয় ছিল এবং তিনি প্রায়ই ওই এলাকায় যাতায়াত করতেন।

নিহত নারীর মা পারুল বেগম বলেন, ‘বুধবার বিকেলে বের হওয়ার সময় বলেছিল একটু পরই ফিরবে। কিন্তু আর ফিরে আসেনি। আজ দুপুরে মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে আমরা ভেঙে পড়েছি।’

কেএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পিবিআই ও সিআইডিকে তলব করা হয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো অপরাধ, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগস

খুলনায় নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনা নগরীর পূর্ব বানিয়াখামারের কাস্টম গলি থেকে মরিয়ম  নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত মরিয়ম নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আনছার উদ্দিন শেখের মেয়ে। তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে নিরালা মোড়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মরিয়ম। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতভর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতে খোঁজ নেওয়া হলেও তার সন্ধান মেলেনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যুর সংবাদ জানতে পারে পরিবার।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ির মালিক সুমনের ছোট ভাই বরাতের সঙ্গে নিহত নারীর পরিচয় ছিল এবং তিনি প্রায়ই ওই এলাকায় যাতায়াত করতেন।

নিহত নারীর মা পারুল বেগম বলেন, ‘বুধবার বিকেলে বের হওয়ার সময় বলেছিল একটু পরই ফিরবে। কিন্তু আর ফিরে আসেনি। আজ দুপুরে মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে আমরা ভেঙে পড়েছি।’

কেএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পিবিআই ও সিআইডিকে তলব করা হয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো অপরাধ, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।