ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
কাজ চলমান রয়েছে

ইউ এন ও রোমানা আফরোজা বললেন তথ্য বিভ্রাট করা হয়েছে

 নওগাঁর পত্নীতলায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ৩য় ও ৪র্থ কিস্তিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কর্মসূচীর অধীনে ১৭টি ঘর নির্মাণ না করে অর্থ উত্তোলন করার অভিযোগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ রোমানা আফরোজ এর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মিথ্যচার বলে দাবী করেছেন তিনি । সটিক তথ্য তুলে না ধরে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন । 

পত্নীতলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (বর্তমানে বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় কর্মরত) গত ১৪ আগষ্ট ২০২২ তারিখে পত্নীতলা উপজেলায় যোগদান করেন।উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই  তার সততা ও নিষ্টা নিয়ে কাজ করেন।এর ফলে সুবিধা বাদি একটি মহল তার বিরুদ্ধচারন করে আসছে। তার পক্ষের কিছু ব্যাক্তি বলেন

শিল্প, সাহিত্য, ক্রীড়া সকল ক্ষেত্রেই তার অসামান্য অবদান পত্নীতলাকে একধাপ এগিয়ে দেয় ইউ  ও রোমানা আফরোজ । সরকারি আদেশে তিনি ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে  পত্নীতলায় থেকে ট্রান্সফার হন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোসাঃ রোমানা আফরোজ পত্নীতলা উপজেলায় দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ৩য় ও ৪র্থ কিস্তিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কর্মসূচীর অধীনে ৪৫টি ঘর বরাদ্দ আসে। যার প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ সকল ঘরের ২৫টি নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয় এবং অবশিষ্ট ১০টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আদমদিঘী উপজেলায় যোগদান করলেও তিনি নির্মাণাধীন ১০টি ঘরের কাজ নিজ ব্যবস্থাপনায় প্রতিনিধির মাধ্যমে চলমান রাখেন। কিন্ত এর মাঝে সম্প্রতি কয়েক টি পত্রিকায় এসব কাজের টাকা আত্বসাতের অভিযোগ শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয় ।

সরেজমিনে  উপজেলার আকবরপুর ইউয়িনয়নের বেলপুকুর, পত্নীতলা ইউনিয়নে শম্ভুপুর, হাসানবেগপুর, খরাইল, ঘোষনগর ইউনিয়নের কোচ খিরসীন, কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সুবর্ণপুর, নজিপুর ইউনিয়নের ফহিমপুর কামারপাড়া, উজিরপুর রাজোয়ার পাড়াসহ বিভিন্ন ই্উনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে ৩৫টি ঘরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শুধুমাত্র নির্মইল, শিহাড়া, দিবর ইউনিয়নের ১০টি ঘরের ৩০ভাগ কাজ বাঁকী আছে। যেগুলো সম্পন্ন করণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

ফহিমপুর কামারপাড়া গ্রামে গিয়ে কথা হয় উপকারভোগি তুলশি রাজোয়ার ও সনজিত রাজোয়ারের সাথে। তারা জানান, বরাদ্দ পাওয়া ঘরে তারা বর্তমানে থাকছেন। ঘরের কাজ খুব ভালো হয়েছে। ঘরে থাকতে তাদের কোন সমস্যা হচ্ছেনা।
এ বিষয়ে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পত্নীতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা নরেন পাহান বলেন, ঘর নির্মাণ করা বিষয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ রোমানা আফরোজ যতদিন পত্নীতলায় ছিলেন আন্তরিকতার সাথে তিনি আদিবাসীদের পাশে ছিলেন। আদিবাসীদের ঘর নির্মাণের টাকা তিনি আত্নসাৎ করতে পারেন এটা আমরা বিশ্বাস করিনা। তিনি যে সকল ঘর নির্মাণ করেছেন তার গুনগতমান বেশ ভালো। তিনি যেহেতু একটা দায়িত্বে ছিলেন আর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় বদলী হয়েছেন সঙ্গত কারণেই কাজে কিছুটা বিঘ্ন হতেই পারে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

কাজ চলমান রয়েছে

ইউ এন ও রোমানা আফরোজা বললেন তথ্য বিভ্রাট করা হয়েছে

আপডেট সময় ১০:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

 নওগাঁর পত্নীতলায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ৩য় ও ৪র্থ কিস্তিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কর্মসূচীর অধীনে ১৭টি ঘর নির্মাণ না করে অর্থ উত্তোলন করার অভিযোগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ রোমানা আফরোজ এর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মিথ্যচার বলে দাবী করেছেন তিনি । সটিক তথ্য তুলে না ধরে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন । 

পত্নীতলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (বর্তমানে বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় কর্মরত) গত ১৪ আগষ্ট ২০২২ তারিখে পত্নীতলা উপজেলায় যোগদান করেন।উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই  তার সততা ও নিষ্টা নিয়ে কাজ করেন।এর ফলে সুবিধা বাদি একটি মহল তার বিরুদ্ধচারন করে আসছে। তার পক্ষের কিছু ব্যাক্তি বলেন

শিল্প, সাহিত্য, ক্রীড়া সকল ক্ষেত্রেই তার অসামান্য অবদান পত্নীতলাকে একধাপ এগিয়ে দেয় ইউ  ও রোমানা আফরোজ । সরকারি আদেশে তিনি ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে  পত্নীতলায় থেকে ট্রান্সফার হন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোসাঃ রোমানা আফরোজ পত্নীতলা উপজেলায় দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ৩য় ও ৪র্থ কিস্তিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কর্মসূচীর অধীনে ৪৫টি ঘর বরাদ্দ আসে। যার প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ সকল ঘরের ২৫টি নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয় এবং অবশিষ্ট ১০টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আদমদিঘী উপজেলায় যোগদান করলেও তিনি নির্মাণাধীন ১০টি ঘরের কাজ নিজ ব্যবস্থাপনায় প্রতিনিধির মাধ্যমে চলমান রাখেন। কিন্ত এর মাঝে সম্প্রতি কয়েক টি পত্রিকায় এসব কাজের টাকা আত্বসাতের অভিযোগ শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয় ।

সরেজমিনে  উপজেলার আকবরপুর ইউয়িনয়নের বেলপুকুর, পত্নীতলা ইউনিয়নে শম্ভুপুর, হাসানবেগপুর, খরাইল, ঘোষনগর ইউনিয়নের কোচ খিরসীন, কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সুবর্ণপুর, নজিপুর ইউনিয়নের ফহিমপুর কামারপাড়া, উজিরপুর রাজোয়ার পাড়াসহ বিভিন্ন ই্উনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে ৩৫টি ঘরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শুধুমাত্র নির্মইল, শিহাড়া, দিবর ইউনিয়নের ১০টি ঘরের ৩০ভাগ কাজ বাঁকী আছে। যেগুলো সম্পন্ন করণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

ফহিমপুর কামারপাড়া গ্রামে গিয়ে কথা হয় উপকারভোগি তুলশি রাজোয়ার ও সনজিত রাজোয়ারের সাথে। তারা জানান, বরাদ্দ পাওয়া ঘরে তারা বর্তমানে থাকছেন। ঘরের কাজ খুব ভালো হয়েছে। ঘরে থাকতে তাদের কোন সমস্যা হচ্ছেনা।
এ বিষয়ে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পত্নীতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা নরেন পাহান বলেন, ঘর নির্মাণ করা বিষয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ রোমানা আফরোজ যতদিন পত্নীতলায় ছিলেন আন্তরিকতার সাথে তিনি আদিবাসীদের পাশে ছিলেন। আদিবাসীদের ঘর নির্মাণের টাকা তিনি আত্নসাৎ করতে পারেন এটা আমরা বিশ্বাস করিনা। তিনি যে সকল ঘর নির্মাণ করেছেন তার গুনগতমান বেশ ভালো। তিনি যেহেতু একটা দায়িত্বে ছিলেন আর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় বদলী হয়েছেন সঙ্গত কারণেই কাজে কিছুটা বিঘ্ন হতেই পারে।