ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন Logo নওগাঁয় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পৈতৃক জমি আত্মসাতের চেষ্টা   Logo ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ: শিক্ষককে নিয়ে লিখেছে চিরকুট Logo মহাদেবপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় পাঠাগারে ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা Logo আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির সাবেক ভিসির ১০ বছর কারাদণ্ড Logo আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুইজনের ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন Logo বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে: সিইসি Logo হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা Logo মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo হামের টিকা সংকটের দায় গত সরকারের; স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা থেকে নিখোঁজ যুবতীকে ১৫ বছর পরে পাওয়া গেছে গুয়াহাটিতে

ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হন মুক্তা বেগম ওরফে ঝরনা বেগম (৩৭)। এত বছর পর ভারতের গোয়াহাটিতে এক বন্দিশিবিরে তার সন্ধান মিলেছে। এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আসাম ও বাংলাদেশ সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

এক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টও জমা দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।  ঝরনা বেগম ২০০৮ সালে মোহাম্মদপুরের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর সারাদেশে অনুসন্ধান করে তাকে পাননি পিতা আবদুল আলি ফারাজি। কয়েক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এরপর তার মা অনুসন্ধান বন্ধ করে দেন। বাংলাদেশি একজন জনহিতৈষী কয়েক মাস আগে মুক্তা নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন। তিনি কলকাতার একজন অপেশাদার রেডিও অপারেটরের সংস্পর্শে আসেন।

ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আমবারিশ নাগ বিশ্বাস বলেন, আমাদের কাছে ছিল ঝরনা বেগমের একটি ছবি এবং পরিচয়পত্র। তা নিয়ে আমাদের নেটওয়ার্ককে এলার্ট করা হয়। কয়েকদিন আগে আমরা গুয়াহাটি থেকে নিশ্চয়তা পাই। বলা হয়, অবৈধ অভিবাসীদের একটি বন্দিশিবিরে সন্ধান পাওয়া গেছে মুক্তা বেগম বা ঝরনা বেগমের।

নওগাঁয় শক্রতার জেরে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট, বিচার দাবীতে মানব বন্ধন

ঢাকা থেকে নিখোঁজ যুবতীকে ১৫ বছর পরে পাওয়া গেছে গুয়াহাটিতে

আপডেট সময় ০১:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হন মুক্তা বেগম ওরফে ঝরনা বেগম (৩৭)। এত বছর পর ভারতের গোয়াহাটিতে এক বন্দিশিবিরে তার সন্ধান মিলেছে। এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আসাম ও বাংলাদেশ সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

এক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টও জমা দিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।  ঝরনা বেগম ২০০৮ সালে মোহাম্মদপুরের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর সারাদেশে অনুসন্ধান করে তাকে পাননি পিতা আবদুল আলি ফারাজি। কয়েক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এরপর তার মা অনুসন্ধান বন্ধ করে দেন। বাংলাদেশি একজন জনহিতৈষী কয়েক মাস আগে মুক্তা নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন। তিনি কলকাতার একজন অপেশাদার রেডিও অপারেটরের সংস্পর্শে আসেন।

ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আমবারিশ নাগ বিশ্বাস বলেন, আমাদের কাছে ছিল ঝরনা বেগমের একটি ছবি এবং পরিচয়পত্র। তা নিয়ে আমাদের নেটওয়ার্ককে এলার্ট করা হয়। কয়েকদিন আগে আমরা গুয়াহাটি থেকে নিশ্চয়তা পাই। বলা হয়, অবৈধ অভিবাসীদের একটি বন্দিশিবিরে সন্ধান পাওয়া গেছে মুক্তা বেগম বা ঝরনা বেগমের।