ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেম্বারপ্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে পুলিশের হামলা, গর্ভবতী নারীসহ আহত ৬

মেম্বারপ্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে পুলিশের হামলা, গর্ভবতী নারীসহ আহত ৬

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:  লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেম্বারপ্রার্থী শামছুল হুদার (ফুটবল) বাড়িতে ঢুকে পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে চরকাদিরা ইউনিয়নের আলি আহম্মদ হাফিজিয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন ফোরকানিয়া মাদরাসা কেন্দ্র সংলগ্ন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম তার সদস্যদের নিয়ে প্রার্থী শামছুল হুদার বাড়িতে ধাওয়া করে। এসময় লাথি দিয়ে চেয়ারসহ হনুফা বেগম নামের এক গর্ভবতী নারীকে ফেলে দেন। রান্নাঘরে থাকা গৃহবধূ বিলকিছ বেগমকে প্রতিবাদ করায় বিলকিছের শাশুড়ি বিবি আয়েশাকে লাঠিপেটা করেন তিনি। এছাড়াও বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুকে মারধর করেন।

আহত হনুফা বেগম বলেন, বাড়িতে চেয়ারে বসা ছিলাম। পুলিশ এসে চেয়ারে লাথি মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেন। আমি কোমরে ব্যথা পেয়েছি।

বিলকিছ বেগম নামের আরেক নারী বলেন, ভাত রান্না করছিলাম আমি। এসময় পুলিশ এসে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যেতে বলে। কেন যাবো বলতেই হাতের লাঠি দিয়ে আমাকে পিটিয়েছে।

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী শামছুল হুদা বলেন, এসআই সিরাজ আমার বাড়িরে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। তার মারধরে গর্ভবতী নারীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তালা প্রতীকের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন মাঝির পক্ষে পুলিশ কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে জয়নাল আবেদীন মাঝি বলেন, তিন নারী জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন তাদের আটক করে। পরে সতর্ক করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ কাউকে মারধরও করেনি। কারো বাড়িতেও ঢোকেনি।

কমলনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের কাজ চলছে। মেম্বার প্রার্থীদের কিছু লোক কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে। আমি দিইনি। বাড়িতে ঢুকে হামলা ও মারধরের ঘটনা সত্য নয়। সুবিধা নিতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ট্যাগস

মেম্বারপ্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে পুলিশের হামলা, গর্ভবতী নারীসহ আহত ৬

আপডেট সময় ০৩:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:  লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেম্বারপ্রার্থী শামছুল হুদার (ফুটবল) বাড়িতে ঢুকে পুলিশের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে চরকাদিরা ইউনিয়নের আলি আহম্মদ হাফিজিয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন ফোরকানিয়া মাদরাসা কেন্দ্র সংলগ্ন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম তার সদস্যদের নিয়ে প্রার্থী শামছুল হুদার বাড়িতে ধাওয়া করে। এসময় লাথি দিয়ে চেয়ারসহ হনুফা বেগম নামের এক গর্ভবতী নারীকে ফেলে দেন। রান্নাঘরে থাকা গৃহবধূ বিলকিছ বেগমকে প্রতিবাদ করায় বিলকিছের শাশুড়ি বিবি আয়েশাকে লাঠিপেটা করেন তিনি। এছাড়াও বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুকে মারধর করেন।

আহত হনুফা বেগম বলেন, বাড়িতে চেয়ারে বসা ছিলাম। পুলিশ এসে চেয়ারে লাথি মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেন। আমি কোমরে ব্যথা পেয়েছি।

বিলকিছ বেগম নামের আরেক নারী বলেন, ভাত রান্না করছিলাম আমি। এসময় পুলিশ এসে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যেতে বলে। কেন যাবো বলতেই হাতের লাঠি দিয়ে আমাকে পিটিয়েছে।

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী শামছুল হুদা বলেন, এসআই সিরাজ আমার বাড়িরে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। তার মারধরে গর্ভবতী নারীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তালা প্রতীকের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন মাঝির পক্ষে পুলিশ কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে জয়নাল আবেদীন মাঝি বলেন, তিন নারী জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন তাদের আটক করে। পরে সতর্ক করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ কাউকে মারধরও করেনি। কারো বাড়িতেও ঢোকেনি।

কমলনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের কাজ চলছে। মেম্বার প্রার্থীদের কিছু লোক কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে। আমি দিইনি। বাড়িতে ঢুকে হামলা ও মারধরের ঘটনা সত্য নয়। সুবিধা নিতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।