স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার ধামরাইয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় কর্মী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ।
তবে নিজেদের দ্বন্দেই ওই যুবক মারা গেছেন বলে জানান প্রতিপক্ষের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু ।এদিকে একজন নিহতের কথা পুলিশ স্বীকার করলেও ঘটনাটি নির্বাচনি সহিংসতা কি না তা নিশ্চিত করতে পারছে না।
রবিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমছির মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিহান ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নের আমছিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।
এদিকে যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মজিদ তার কর্মীকে হত্যার অভিযোগ করেন। তবে থানা থেকে বেরিয়ে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করেন।
তিনি বলেন, ঘটনা আমার বাড়ি থেকে চার কিলোমিটার দূরে। নিহত শিহান আমার সম্পর্কে ফুপাতো ভাই ও কর্মী। গতকাল রাতে শিহাবকে মারধর করে মারাত্মক জখম করে প্রতিপক্ষ মিজু চেয়ারম্যানের ভাইসহ তার লোকজন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এখন আমি থানায় আসছি।
অভিযোগ ওঠা যাদবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু বলেন, কারো সাথেতো আমাদের কিছু হয় নাই। গতকাল আমাদের গ্রামের দুইটা ছেলেকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে শুনলাম। পরে হাসপাতালে একজন মারা গেছে। আরেকজন আহত আছে। সে না কি তিনজনের নাম বলছে শুনলাম।
কি কারণে মারধর করা হয়েছে সি বিষয়ে তিনি বলেন, এতকিছুতো জানি না। তবে ওরা চুরি করতো শুনেছি। নিজেদের মধ্যেই মারামারি।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) নির্মল কুমার দাস বলেন, এখনও কি হয়েছে ঘটনা জানা যায়নি। তবে হাসপাতালে একজন মারা গেছে। আরেকজন চিকিৎসাধীন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 











