আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে আন্তোনিও গুতেরেসকে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত করতে সুপারিশ করেছে সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৩টি সদস্য দেশ।
২০২২ সাল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য অর্থাৎ ২০২৭ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মহাসচিব পদে বহাল থাকছেন ৭২ বছর বয়সী গুতেরেস।
মঙ্গলবার (৮ জুন) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে সংস্থাটির সাধারণ পরিষদে এই সুপারিশ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৭ সালে বান কি মুনের পর জাতিসংঘের মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন গুতেরেস।
চলতি মেয়াদে মহাসচিব পদে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্য কারও নাম প্রস্তাব না করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন তিনি। এক বিবৃতিতে আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, তার ওপর আস্থা রাখায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞ তিনি।
১৯৪৯ সালে পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করেন আন্তোনিও ম্যানুয়েল দে অলিভেরা গুতেরেস। ১৯৭৪ সালে সমাজতান্ত্রিক পার্টিতে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত ঘটে। অল্পকিছুদিন পরই ছেড়ে দেন অধ্যাপনা পেশা।
১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালে শিল্পসচিব, ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত লিসবন ডেপুটি ও পরবর্তীতে কাস্তেলো ব্রাঙ্কো পৌর এলাকা থেকে পর্তুগিজ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৯৫ সালে কাভাকো সিলভা মন্ত্রিসভার সময়কাল শেষ হবার পর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টি জয়লাভ করে ও তিনি পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী হন।
১৯৯৯ সালে তিনি পুণরায় প্রধানমন্ত্রীরূপে নির্বাচিত হন। কিন্তু দ্বিতীয় মেয়াদে তার সরকার তেমন সফলতা পায়নি। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের পাশাপাশি অর্থনৈতিক মন্দা ও হিঞ্জ রাইবেইরো সেঁতু দুর্যোগের ফলে তার কর্তৃত্ব ও জনপ্রিয়তা বহুলাংশে খর্ব হয়।
২০০১ সালে স্থানীয় নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টির বিপর্যয়কর ফলাফলের প্রেক্ষিতে গুতেরেস পদত্যাগ করেন। শেষ হয় গুতেরেসের পর্তুগাল অধ্যায়।
নিউজ ভিশন টুডে ডেস্ক : 











