ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৫ জন করোনা আক্রান্ত

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ ভারতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি অবনতির কারণে বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। তবে যারা সে দেশের ভ্রমণ, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসহ নানাবিধ কাজে গিয়ে আটকা পড়েছিল তারা বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দেশে প্রবেশ করছেন।

তাদের এই ফেরা নিয়ে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পথে আসা যাত্রীদের সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখছে প্রশাসন।

বেনাপোলের ১৩টি আবাসিক হোটেলসহ যশোর শহরের বিভিন্ন হোটেলে এসব যাত্রীরা কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন। এরই মধ্যে আজ বেনাপোলে দুটি হোটেলে থাকা ৫ জন যাত্রী করোনা পজিটিভ হয়েছেন। এ খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এর আগে, গত মে মাসে বেনাপোল শহরের আশেপাশে ১১ জন করোনা আক্রান্ত হন।

বেনাপোলের মৌ হোটেল ও নিশাত নামে দুটি হোটেলে করোনা পজিটিভে আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন। এর মধ্যে নিশাত হোটেলে পিরোজপুর জেলার জয় হালদার (৪০), রক্তিম (৫), মনিকা বৈরাগী (৩২) এবং মৌ হোটেলে খুলনার জয়ন্তী রানী (৩২) ও রিম্পা বশাক (৫৫)।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আশাদুজ্জামান আশা বলেন, সীমান্ত শহর বেনাপোল। এই শহরে বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রী ছাড়াও অবৈধ পথে অনেক বাংলাদেশী নাগরিক প্রবেশ করে। এরা বর্তমান সময়ে দেশে আসায় এবং এসব যাত্রীদের বিভিন্ন হোটেলে রাখায় বেনাপোলের মানুষ শঙ্কিত। এছাড়া যারা ভারত থেকে আসছে তাদের এই শহরের আবাসিক হোটেলে রাখলেও নেই কোন পরিকল্পনা। এরা হোটেল থেকে নেমে ঘোরাফেরা ও কেনাকাটা করে আবার হোটেলে প্রবেশ করছে। এদের অবাধে ঘোরা ফেরার কারণে এই শহরে আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন এর স্বাস্থ্যকর্মী হাসান শিমুল ও মামুনুর রহমান বলেন, যারা ভারত থেকে আসছে এবং করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে আসছে তাদের বাংলাদেশেও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ হয়েছে এরা গত ১৮ তারিখে বেনাপোলে প্রবেশ করে। এসব যাত্রীদের ওই আবাসিক হোটেল থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।

ট্যাগস

বেনাপোলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৫ জন করোনা আক্রান্ত

আপডেট সময় ১০:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ ভারতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি অবনতির কারণে বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। তবে যারা সে দেশের ভ্রমণ, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসহ নানাবিধ কাজে গিয়ে আটকা পড়েছিল তারা বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দেশে প্রবেশ করছেন।

তাদের এই ফেরা নিয়ে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পথে আসা যাত্রীদের সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখছে প্রশাসন।

বেনাপোলের ১৩টি আবাসিক হোটেলসহ যশোর শহরের বিভিন্ন হোটেলে এসব যাত্রীরা কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন। এরই মধ্যে আজ বেনাপোলে দুটি হোটেলে থাকা ৫ জন যাত্রী করোনা পজিটিভ হয়েছেন। এ খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এর আগে, গত মে মাসে বেনাপোল শহরের আশেপাশে ১১ জন করোনা আক্রান্ত হন।

বেনাপোলের মৌ হোটেল ও নিশাত নামে দুটি হোটেলে করোনা পজিটিভে আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন। এর মধ্যে নিশাত হোটেলে পিরোজপুর জেলার জয় হালদার (৪০), রক্তিম (৫), মনিকা বৈরাগী (৩২) এবং মৌ হোটেলে খুলনার জয়ন্তী রানী (৩২) ও রিম্পা বশাক (৫৫)।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আশাদুজ্জামান আশা বলেন, সীমান্ত শহর বেনাপোল। এই শহরে বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রী ছাড়াও অবৈধ পথে অনেক বাংলাদেশী নাগরিক প্রবেশ করে। এরা বর্তমান সময়ে দেশে আসায় এবং এসব যাত্রীদের বিভিন্ন হোটেলে রাখায় বেনাপোলের মানুষ শঙ্কিত। এছাড়া যারা ভারত থেকে আসছে তাদের এই শহরের আবাসিক হোটেলে রাখলেও নেই কোন পরিকল্পনা। এরা হোটেল থেকে নেমে ঘোরাফেরা ও কেনাকাটা করে আবার হোটেলে প্রবেশ করছে। এদের অবাধে ঘোরা ফেরার কারণে এই শহরে আশঙ্কাজনক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন এর স্বাস্থ্যকর্মী হাসান শিমুল ও মামুনুর রহমান বলেন, যারা ভারত থেকে আসছে এবং করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে আসছে তাদের বাংলাদেশেও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ হয়েছে এরা গত ১৮ তারিখে বেনাপোলে প্রবেশ করে। এসব যাত্রীদের ওই আবাসিক হোটেল থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।