ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ নারীর মৃত্যু

নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া ১১ জনের মধ্যে আলেয়া বেগম (৪০) নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আলম বেগম ফতুল্লার তল্লা এলাকার হাবিবুর রহমানের স্ত্রী।

এদিকে, বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মৃত আলেয়া বেগমের স্বামী হাবিবুর রহমান ও শাশুড়ি সামান্তা বেগম। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

আলেয়া বেগমের আত্মীয় মনতাজ মিয়া বলেন, ‘বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলেয়া বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আলেয়া বেগমের স্বামী হাবিবর রহমানের ৮৫ শতাংশ ও শাশুড়ি সামান্তা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

এছাড়া সামিউলের শরীরের ১০ শতাংশ, তাবাসসুম মীমের শরীরের ২৫ শতাংশ, মীমের ৩ মাস বয়সী ছেলে মাহিরের ২০ শতাংশ, লিমনের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার তিনতলা ভবনের ফ্ল্যাটবাড়িতে গ্যাসের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এক শিশুসহ দুটি পরিবারের ১১ জন দগ্ধ হন। বিস্ফোরণে ফ্ল্যাটের দেয়াল ধসে যায়।

জেলা প্রশাসন বাড়িটি সিলগালা করে দেয় এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া তিতাস কর্তৃপক্ষও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ নারীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১

নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া ১১ জনের মধ্যে আলেয়া বেগম (৪০) নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আলম বেগম ফতুল্লার তল্লা এলাকার হাবিবুর রহমানের স্ত্রী।

এদিকে, বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মৃত আলেয়া বেগমের স্বামী হাবিবুর রহমান ও শাশুড়ি সামান্তা বেগম। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

আলেয়া বেগমের আত্মীয় মনতাজ মিয়া বলেন, ‘বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলেয়া বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আলেয়া বেগমের স্বামী হাবিবর রহমানের ৮৫ শতাংশ ও শাশুড়ি সামান্তা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

এছাড়া সামিউলের শরীরের ১০ শতাংশ, তাবাসসুম মীমের শরীরের ২৫ শতাংশ, মীমের ৩ মাস বয়সী ছেলে মাহিরের ২০ শতাংশ, লিমনের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার তিনতলা ভবনের ফ্ল্যাটবাড়িতে গ্যাসের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এক শিশুসহ দুটি পরিবারের ১১ জন দগ্ধ হন। বিস্ফোরণে ফ্ল্যাটের দেয়াল ধসে যায়।

জেলা প্রশাসন বাড়িটি সিলগালা করে দেয় এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া তিতাস কর্তৃপক্ষও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।