ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের ২৭ এলএমজি পোস্ট

ছবিঃ সংগৃহিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে ইতিমধ্যে ২৭টি স্থাপনায় বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বা এলএমজি পোস্ট বসানো হয়েছে।

এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সকল থানা ভবন, ফাড়ি ও ক্যাম্প।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. রইস উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিককালে হেফাজতে ইসলাম দেশের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের স্থাপনায় হামলা চালায়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে অত্যাধুনিক ও ভারী অস্ত্র দিয়ে বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বসানো হয়েছে। এগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ ও পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দুপুর আড়াইটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের একটি এলএমজি পোস্ট দেখা গেছে। থানা ভবনের পুলিশ ক্লাবের ছাদের ওপর করা ওই এলএমজি পোস্টে দুজন পুলিশ সদস্য এলএমজি নিয়ে অবস্থান করছেন। একইভাবে জেলার প্রতিটি
থানাতেই এ ধরণের পোস্ট বসানো হচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। রক্ষা পায়নি পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সদর মডেল থানার ২নম্বর পুলিশ ফাঁড়ি ও খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবনও।

ট্যাগস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের ২৭ এলএমজি পোস্ট

আপডেট সময় ০৫:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ এপ্রিল ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে ইতিমধ্যে ২৭টি স্থাপনায় বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বা এলএমজি পোস্ট বসানো হয়েছে।

এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সকল থানা ভবন, ফাড়ি ও ক্যাম্প।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. রইস উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিককালে হেফাজতে ইসলাম দেশের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের স্থাপনায় হামলা চালায়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের স্থাপনাগুলোর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে অত্যাধুনিক ও ভারী অস্ত্র দিয়ে বিশেষ নিরাপত্তা পোস্ট বসানো হয়েছে। এগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ ও পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দুপুর আড়াইটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের একটি এলএমজি পোস্ট দেখা গেছে। থানা ভবনের পুলিশ ক্লাবের ছাদের ওপর করা ওই এলএমজি পোস্টে দুজন পুলিশ সদস্য এলএমজি নিয়ে অবস্থান করছেন। একইভাবে জেলার প্রতিটি
থানাতেই এ ধরণের পোস্ট বসানো হচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। রক্ষা পায়নি পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সদর মডেল থানার ২নম্বর পুলিশ ফাঁড়ি ও খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবনও।