ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুবাইয়ের উপশাসক শেখ হামদান আর নেই

দুবাইয়ের উপশাসক শেখ হামদান বিন রশিদ আল মাকতুম ( ছবি সংগৃহীত )

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ  মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ শহর দুবাইয়ের উপশাসক শেখ হামদান বিন রশিদ আল মাকতুম মৃত্যুবরণ করেছেন।

বুধবার (২৪ মার্চ) ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, শেখ হামদান আরব আমিরাতের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুবাইয়ের বর্তমান শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের ভাই।

শেখ হামদান বিগত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। বুধবার শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ভাইয়ের একটি ছবি পোস্ট করেন।

সেখানে তিনি লিখেছেন, আমরা সবাই সৃষ্টিকর্তার এবং তার কাছেই ফিরে যাব। আমার ভাই, আমার অবলম্বন, আমার সাথী; আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুক।

শেখ হামদান ১৯৪৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন দেশটির প্রয়াত শাসক শেখ রশিদ বিন সায়েদ আল মাকতুমের দ্বিতীয় ছেলে। ১৯৭১ সালে তাকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুবাইকে ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি সমৃদ্ধ শহরে পরিণত করায় তার অবদান অনেক।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

দুবাইয়ের উপশাসক শেখ হামদান আর নেই

আপডেট সময় ০৬:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ  মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ শহর দুবাইয়ের উপশাসক শেখ হামদান বিন রশিদ আল মাকতুম মৃত্যুবরণ করেছেন।

বুধবার (২৪ মার্চ) ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, শেখ হামদান আরব আমিরাতের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুবাইয়ের বর্তমান শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের ভাই।

শেখ হামদান বিগত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন। বুধবার শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ভাইয়ের একটি ছবি পোস্ট করেন।

সেখানে তিনি লিখেছেন, আমরা সবাই সৃষ্টিকর্তার এবং তার কাছেই ফিরে যাব। আমার ভাই, আমার অবলম্বন, আমার সাথী; আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুক।

শেখ হামদান ১৯৪৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন দেশটির প্রয়াত শাসক শেখ রশিদ বিন সায়েদ আল মাকতুমের দ্বিতীয় ছেলে। ১৯৭১ সালে তাকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুবাইকে ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি সমৃদ্ধ শহরে পরিণত করায় তার অবদান অনেক।