ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মায়ের কাছে শিক্ষা নিয়ে ১০ মাসেই কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু

ছবি: "আট বছরের শিশু আবরারুল হক মুয়াজ" (সংগৃহীত)

স্টাফ রিপোর্টারঃ কোরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে গিয়ে তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধতা। সেখান থেকে ফিরে বাবা-মাকে জানায় নিজের আগ্রহের কথা। এরপর ১০ মাসেই মায়ের কাছে পড়ে পুরো কোরআন মুখস্ত করেছে আট বছরের শিশু আবরারুল হক মুয়াজ।

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন ছিলনী গ্রামের হাফেজ মাহবুবুর রহমানের ছেলে মুয়াজের এ প্রতিভা বিস্ময় জাগিয়েছে এলাকাজুড়ে।

মুয়াজের চাচা হাফেজ মাহমুদুল হাসান বলেন, মুয়াজকে নিয়ে তার বাবা একদিন কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহিদী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় যান। সেখানে ছোট ছোট বাচ্চাদের কোরআন তিলাওয়াত তন্ময় হয়ে শোনে মুয়াজ। বাসায় এসে বাবা-মাকে খুব দ্রুতই সে হাফেজ হবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করে।

তিনি জানান, হিফজ শুরু করার কিছুদিন পরই দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সুযোগটা আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়। মুয়াজের মা হাফেজা হওয়ায় ঘরে বসেই সে পুরো কোরআন মুখস্ত করতে পেরেছে। মুয়াজের হাফেজ হওয়ার পেছনে তার মায়ের অসামান্য অবদান রয়েছে। তার মা মুয়াজকে কোলে নিয়ে নিয়মিত কোরআন পড়তেন। ওই সময় মুয়াজ তন্ময় হয়ে শুনত।

মুয়াজের অল্পবয়সে হাফেজ হওয়া নিয়ে আনন্দিত ছিলনী গ্রামবাসীও। হাওরের কাদামাটিতে জন্ম নেয়া মুয়াজ গ্রামের গৌরব বয়ে এনেছে বলে মন্তব্য করেন গ্রামের

ট্যাগস

মায়ের কাছে শিক্ষা নিয়ে ১০ মাসেই কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু

আপডেট সময় ০৭:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

স্টাফ রিপোর্টারঃ কোরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে গিয়ে তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধতা। সেখান থেকে ফিরে বাবা-মাকে জানায় নিজের আগ্রহের কথা। এরপর ১০ মাসেই মায়ের কাছে পড়ে পুরো কোরআন মুখস্ত করেছে আট বছরের শিশু আবরারুল হক মুয়াজ।

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন ছিলনী গ্রামের হাফেজ মাহবুবুর রহমানের ছেলে মুয়াজের এ প্রতিভা বিস্ময় জাগিয়েছে এলাকাজুড়ে।

মুয়াজের চাচা হাফেজ মাহমুদুল হাসান বলেন, মুয়াজকে নিয়ে তার বাবা একদিন কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহিদী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় যান। সেখানে ছোট ছোট বাচ্চাদের কোরআন তিলাওয়াত তন্ময় হয়ে শোনে মুয়াজ। বাসায় এসে বাবা-মাকে খুব দ্রুতই সে হাফেজ হবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করে।

তিনি জানান, হিফজ শুরু করার কিছুদিন পরই দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সুযোগটা আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়। মুয়াজের মা হাফেজা হওয়ায় ঘরে বসেই সে পুরো কোরআন মুখস্ত করতে পেরেছে। মুয়াজের হাফেজ হওয়ার পেছনে তার মায়ের অসামান্য অবদান রয়েছে। তার মা মুয়াজকে কোলে নিয়ে নিয়মিত কোরআন পড়তেন। ওই সময় মুয়াজ তন্ময় হয়ে শুনত।

মুয়াজের অল্পবয়সে হাফেজ হওয়া নিয়ে আনন্দিত ছিলনী গ্রামবাসীও। হাওরের কাদামাটিতে জন্ম নেয়া মুয়াজ গ্রামের গৌরব বয়ে এনেছে বলে মন্তব্য করেন গ্রামের