ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ার পর্যটন শিল্প ভয়াবহ ক্ষতির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সারাবিশ্বেই ভয়াবহ সংকট তৈরি করেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ডিসেম্বরে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। কাজ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। বিভিন্ন দেশের পর্যটন শিল্পও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।

গত কয়েক মাসে মালয়েশিয়ায় পর্যটক একেবারে নেই বললেই চলে। প্রায় আট মাস ধরে দেশটিতে পর্যটকদের সংখ্যা কমছেই। ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে ধস নেমে এসেছে।

গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে পর্যটকের আনাগোনা কমেছে প্রায় ৭৯ শতাংশ। করোনাভাইরাসের কারণে শুধু মালয়েশিয়াই নয়, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পর্যটকদের আসা-যাওয়া একেবারে নেই বললেই চলে।

মালয়েশিয়া ট্যুরিজম প্রোমোশন বোর্ড সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, করোনা মহামারির কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গেছে।  এক বছর আগে যেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ কোটির বেশি সেখানে গত কয়েক মাসে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৩ লাখ।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর পর্যটন খাতে আয় কমেছে প্রায় ৮১ শতাংশ। ২০১৯ সালে পর্যটন খাতে আয় ছিল ৬৬ দশমিক ১ বিলিয়ন রিঙ্গিত। অথচ চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিতে।

পর্যটন খাতে নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাথাপিছু পর্যটক ব্যয়ও কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হার কমেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছর পর্যটক প্রতি মাথাপিছু ব্যয় ছিল ২ হাজার ৯৩৮ রিঙ্গিত, যা আগের বছর ছিল ৩ হাজার ২৮৯ রিঙ্গিত।

পর্যটন খাতে আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন। মালয়েশিয়ায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন পর্যটকের আনাগোনা ছিল ১৭ লাখের বেশি। আগের বছরের তুলনায় এই হার প্রায় ৭৫ শতাংশ কম। গত বছর একই সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছে।

মালয়েশিয়া ট্যুরিজম প্রোমোশন বোর্ড সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, করোনা মহামারির কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গেছে। এক বছর আগে যেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ কোটির বেশি সেখানে গত কয়েক মাসে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৩ লাখ।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর পর্যটন খাতে আয় কমেছে প্রায় ৮১ শতাংশ। ২০১৯ সালে পর্যটন খাতে আয় ছিল ৬৬ দশমিক ১ বিলিয়ন রিঙ্গিত। অথচ চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিতে।

পর্যটন খাতে নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাথাপিছু পর্যটক ব্যয়ও কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হার কমেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছর পর্যটক প্রতি মাথাপিছু ব্যয় ছিল ২ হাজার ৯৩৮ রিঙ্গিত, যা আগের বছর ছিল ৩ হাজার ২৮৯ রিঙ্গিত।

পর্যটন খাতে আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন। মালয়েশিয়ায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন পর্যটকের আনাগোনা ছিল ১৭ লাখের বেশি। আগের বছরের তুলনায় এই হার প্রায় ৭৫ শতাংশ কম। গত বছর একই সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছে।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

মালয়েশিয়ার পর্যটন শিল্প ভয়াবহ ক্ষতির মুখে

আপডেট সময় ১১:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সারাবিশ্বেই ভয়াবহ সংকট তৈরি করেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ডিসেম্বরে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। কাজ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। বিভিন্ন দেশের পর্যটন শিল্পও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।

গত কয়েক মাসে মালয়েশিয়ায় পর্যটক একেবারে নেই বললেই চলে। প্রায় আট মাস ধরে দেশটিতে পর্যটকদের সংখ্যা কমছেই। ফলে দেশটির পর্যটন শিল্পে ধস নেমে এসেছে।

গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে পর্যটকের আনাগোনা কমেছে প্রায় ৭৯ শতাংশ। করোনাভাইরাসের কারণে শুধু মালয়েশিয়াই নয়, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পর্যটকদের আসা-যাওয়া একেবারে নেই বললেই চলে।

মালয়েশিয়া ট্যুরিজম প্রোমোশন বোর্ড সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, করোনা মহামারির কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গেছে।  এক বছর আগে যেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ কোটির বেশি সেখানে গত কয়েক মাসে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৩ লাখ।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর পর্যটন খাতে আয় কমেছে প্রায় ৮১ শতাংশ। ২০১৯ সালে পর্যটন খাতে আয় ছিল ৬৬ দশমিক ১ বিলিয়ন রিঙ্গিত। অথচ চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিতে।

পর্যটন খাতে নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাথাপিছু পর্যটক ব্যয়ও কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হার কমেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছর পর্যটক প্রতি মাথাপিছু ব্যয় ছিল ২ হাজার ৯৩৮ রিঙ্গিত, যা আগের বছর ছিল ৩ হাজার ২৮৯ রিঙ্গিত।

পর্যটন খাতে আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন। মালয়েশিয়ায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন পর্যটকের আনাগোনা ছিল ১৭ লাখের বেশি। আগের বছরের তুলনায় এই হার প্রায় ৭৫ শতাংশ কম। গত বছর একই সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছে।

মালয়েশিয়া ট্যুরিজম প্রোমোশন বোর্ড সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, করোনা মহামারির কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গেছে। এক বছর আগে যেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ কোটির বেশি সেখানে গত কয়েক মাসে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৩ লাখ।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর পর্যটন খাতে আয় কমেছে প্রায় ৮১ শতাংশ। ২০১৯ সালে পর্যটন খাতে আয় ছিল ৬৬ দশমিক ১ বিলিয়ন রিঙ্গিত। অথচ চলতি বছর এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিতে।

পর্যটন খাতে নিম্নমুখী প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাথাপিছু পর্যটক ব্যয়ও কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হার কমেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছর পর্যটক প্রতি মাথাপিছু ব্যয় ছিল ২ হাজার ৯৩৮ রিঙ্গিত, যা আগের বছর ছিল ৩ হাজার ২৮৯ রিঙ্গিত।

পর্যটন খাতে আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন। মালয়েশিয়ায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন পর্যটকের আনাগোনা ছিল ১৭ লাখের বেশি। আগের বছরের তুলনায় এই হার প্রায় ৭৫ শতাংশ কম। গত বছর একই সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছে।