ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমেরিকায় ঘূর্ণিঝড় ইটার, প্রভাবে ১০০ মানুষের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্য আমেরিকায় আছড়ে পড়েছে ক্রমশ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়া নিম্নচাপ ‘ইটা’। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে অন্তত ১০০ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, দেখা দিয়েছে ভূমিধস। ফলে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন হাজারও মানুষ। খবর সিএনএন।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থান করছে। শনিবার স্থানীয় সময় রাত থেকে রবিবার সকালের মধ্যে এটি কিউবার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এর গন্তব্যস্থল হতে পারে ফ্লোরিডা।

গুয়েতেমালার প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো গিয়াম্মাত্তেয়ি শুক্রবার জানিয়েছেন, এই ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় দেশটির কুয়েজা গ্রামে অন্তত ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি।

এই দুর্যোগ অবর্ণনীয় দুর্দশা ডেকে এনেছে দেশটির মানুষের জীবনযাত্রায়। ছবিতে দেখা গেছে, তলিয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ছেড়ে অবশিষ্ট সম্বলটুকু নিয়ে অন্যত্র পাড়ি জমাচ্ছে মানুষ।

প্রেসিডেন্ট গিয়াম্মাত্তেয়ি বলেন, আজ সকালেও আমরা ৪টি মৃত্যুর খবর পেয়েছি। হুয়েহুয়েতেনাঙ্গো এবং স্যান ক্রিস্টোবাল এলাকায় ভূমিধসেই মারা গেছেন ৫০ জনের বেশি মানুষ।

তিনি জানান, মারাত্মক বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ আকারে ভূমিধস শুরু হয়েছে। যার ফলে স্যান ক্রিস্টোবালের অন্তত ২৫টি বাড়ি চাপা পড়েছে, যেগুলোর ভেতরে কমপক্ষে ৫০ জন মানুষ ছিলেন।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

আমেরিকায় ঘূর্ণিঝড় ইটার, প্রভাবে ১০০ মানুষের প্রাণহানি

আপডেট সময় ১২:৩০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্য আমেরিকায় আছড়ে পড়েছে ক্রমশ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়া নিম্নচাপ ‘ইটা’। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে অন্তত ১০০ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, দেখা দিয়েছে ভূমিধস। ফলে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন হাজারও মানুষ। খবর সিএনএন।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থান করছে। শনিবার স্থানীয় সময় রাত থেকে রবিবার সকালের মধ্যে এটি কিউবার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এর গন্তব্যস্থল হতে পারে ফ্লোরিডা।

গুয়েতেমালার প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো গিয়াম্মাত্তেয়ি শুক্রবার জানিয়েছেন, এই ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় দেশটির কুয়েজা গ্রামে অন্তত ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি।

এই দুর্যোগ অবর্ণনীয় দুর্দশা ডেকে এনেছে দেশটির মানুষের জীবনযাত্রায়। ছবিতে দেখা গেছে, তলিয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ছেড়ে অবশিষ্ট সম্বলটুকু নিয়ে অন্যত্র পাড়ি জমাচ্ছে মানুষ।

প্রেসিডেন্ট গিয়াম্মাত্তেয়ি বলেন, আজ সকালেও আমরা ৪টি মৃত্যুর খবর পেয়েছি। হুয়েহুয়েতেনাঙ্গো এবং স্যান ক্রিস্টোবাল এলাকায় ভূমিধসেই মারা গেছেন ৫০ জনের বেশি মানুষ।

তিনি জানান, মারাত্মক বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ আকারে ভূমিধস শুরু হয়েছে। যার ফলে স্যান ক্রিস্টোবালের অন্তত ২৫টি বাড়ি চাপা পড়েছে, যেগুলোর ভেতরে কমপক্ষে ৫০ জন মানুষ ছিলেন।