ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় কুপতলা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে রাস্তার মাটি কাটার কাজ, ঘর দেয়া ও মাতৃ ভাতার নামে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম-দুনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে চেয়ারম্যানকে প্রেরিত অর্থ ফেরতসহ ঘটনার প্রতিকার জানিয়ে জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এসে দরিদ্র অসহায় নারীরা লিখিত আবেদনসহ অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

৪নং ওয়ার্ডের স্কুলের বাজার ও ডাকুয়ারকুটি গ্রামের মৃত বাচ্চুর স্ত্রী আনোয়ারা বেওয়া, মৃত রফিকের স্ত্রী লাখি বেওয়া, মৃত ওয়াহেদের স্ত্রী করিমন বেওয়া ও বজলার রহমানের ছবি বেগম লিখিত অভিযোগে উলে¬খ করেন কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ২০১৭ সালে ৫ বছর মেয়াদী রাস্তায় মাটি কাটার কাজ দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর তাদেরকে কাজ না দিয়ে নানা রকমের তালবাহান করে আসছিল।

এরই একপর্যায়ে ২০১৯ সালে ওইসব গৃহহীন দরিদ্র অসহায় দু:স্থ জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আধা পাকা ঘর দেয়া ও মাতৃ ভাতার কার্ড দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছে আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে ৩০ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। এব্যাপারে তারা চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার মাটি কাটার কাজ, আধা পাকা ঘর নির্মাণ ও মাতৃ ভাতার কার্ড চাইতে গেলে চেয়ারম্যান তাদের কথায় কোন কর্ণপাত না করে নানা ধরণের হয়রানি করে আসছে।

ফলে ওইসব অসহায় পরিবারগুলো মাটির কাজ, নতুন ঘর ও মাতৃ ভাতা কোন কিছুই না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে।
এব্যাপারে কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

সর্বাধিক পঠিত

গাইবান্ধায় কুপতলা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:৫৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে রাস্তার মাটি কাটার কাজ, ঘর দেয়া ও মাতৃ ভাতার নামে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম-দুনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে চেয়ারম্যানকে প্রেরিত অর্থ ফেরতসহ ঘটনার প্রতিকার জানিয়ে জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এসে দরিদ্র অসহায় নারীরা লিখিত আবেদনসহ অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

৪নং ওয়ার্ডের স্কুলের বাজার ও ডাকুয়ারকুটি গ্রামের মৃত বাচ্চুর স্ত্রী আনোয়ারা বেওয়া, মৃত রফিকের স্ত্রী লাখি বেওয়া, মৃত ওয়াহেদের স্ত্রী করিমন বেওয়া ও বজলার রহমানের ছবি বেগম লিখিত অভিযোগে উলে¬খ করেন কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ২০১৭ সালে ৫ বছর মেয়াদী রাস্তায় মাটি কাটার কাজ দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর তাদেরকে কাজ না দিয়ে নানা রকমের তালবাহান করে আসছিল।

এরই একপর্যায়ে ২০১৯ সালে ওইসব গৃহহীন দরিদ্র অসহায় দু:স্থ জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আধা পাকা ঘর দেয়া ও মাতৃ ভাতার কার্ড দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছে আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে ৩০ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। এব্যাপারে তারা চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার মাটি কাটার কাজ, আধা পাকা ঘর নির্মাণ ও মাতৃ ভাতার কার্ড চাইতে গেলে চেয়ারম্যান তাদের কথায় কোন কর্ণপাত না করে নানা ধরণের হয়রানি করে আসছে।

ফলে ওইসব অসহায় পরিবারগুলো মাটির কাজ, নতুন ঘর ও মাতৃ ভাতা কোন কিছুই না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে।
এব্যাপারে কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।