ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিল্পী নাদিরা বেগম আর নেই

ভাওয়াইয়শিল্পীর অন্যতম সেরা গায়িকা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদিরা বেগম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

নাদিরা বেগমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা জয়পুরহাটে। তাঁর মরদেহ আজ মঙ্গলবার সকালে জয়পুরহাটে নেওয়া হয়। এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জয়পুরহাট সদরের রামদেও বজলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে, এরপর জানাজা হবে।
পৈতৃক নিবাস জয়পুরহাট সদরের দাদরা জন্তি গ্রামে আরেকবার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে প্রথম আলোকে জানান শিল্পীর ছোট বোন রোকসানা পারভীন।

নাদিরা বেগম ভাওয়াইয়াবিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া পরিষদের উপদেষ্টা, ভাওয়াইয়া একাডেমির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ভাওয়াইয়া সংসদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

‘কলকল ছলছল নদী করে টলমল’ গানের গীতিকার ও সুরকার এ কে এম আবদুল আজিজের হাত ধরে গানে নাম লেখান তাঁর মেয়ে নাদিরা বেগম। ৯ ভাইবোনের মধ্যে নাদিরা ছিলেন সবার বড়। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

শিল্পী নাদিরা বেগম আর নেই

আপডেট সময় ০৪:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০২৩

ভাওয়াইয়শিল্পীর অন্যতম সেরা গায়িকা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদিরা বেগম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

নাদিরা বেগমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা জয়পুরহাটে। তাঁর মরদেহ আজ মঙ্গলবার সকালে জয়পুরহাটে নেওয়া হয়। এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জয়পুরহাট সদরের রামদেও বজলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে, এরপর জানাজা হবে।
পৈতৃক নিবাস জয়পুরহাট সদরের দাদরা জন্তি গ্রামে আরেকবার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে প্রথম আলোকে জানান শিল্পীর ছোট বোন রোকসানা পারভীন।

নাদিরা বেগম ভাওয়াইয়াবিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া পরিষদের উপদেষ্টা, ভাওয়াইয়া একাডেমির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ভাওয়াইয়া সংসদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

‘কলকল ছলছল নদী করে টলমল’ গানের গীতিকার ও সুরকার এ কে এম আবদুল আজিজের হাত ধরে গানে নাম লেখান তাঁর মেয়ে নাদিরা বেগম। ৯ ভাইবোনের মধ্যে নাদিরা ছিলেন সবার বড়। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/visionnewstoday/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481